দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজড়া কোটা

0
48
transgenders
transgenders
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজড়া কোটা চালু- ফাইল ছবি

হিজড়া বা বৃহন্নলাদের ইতোমধ্যেই তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি এ রায়ের সঙ্গে তাল রেখে এবার স্নাতকোত্তর কোর্সের ভর্তির আবেদনপত্রে তৃতীয় লিঙ্গ ক্যাটেগরি বাছাইয়ের ব্যবস্থা চালু করল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া সমন্বয়কারী মলয় নিরভ জানান, চলতি বছরের আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তির ফর্মে তৃতীয় লিঙ্গ বলে একটি পৃথক ঘর রেখেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীভূত আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্তরে ভর্তির ফর্মেও এই ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

তবে এর ফলে অ্যাডমিশন ফর্মে যারা ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ লেখা খোপে টিক চিহ্ন দেবে, তারা কী কী সুযোগ সুবিধা পাবেন, তা পরিষ্কার হয়নি।

এ সম্পর্কে মিডিয়া সমন্বয়কারী বলেন, তফসিলি জাতি, উপজাতি ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মতো রূপান্তরকামীদের কী কী সুবিধা দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে কোনও নীতি এখনও স্থির করেনি ইউজিসি।

গত জুলাইয়ে  ইউজিসি সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নোটিস পাঠিয়ে বিভিন্ন স্কলারশিপ ও ফেলোশিপ স্কিমে  বৃহন্নলাদের অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দেয়। এর আগে ওই স্কিমে আবেদন করা পড়ুয়াদের হয় পুরুষ অথবা স্ত্রী ক্যাটেগরিতে নাম নথিভুক্ত করাতে হত।

রেজিস্টার অলকা শর্মা বলেছেন, এ বছর থেকেই স্নাতক স্তরের আওতায় ভর্তির ক্ষেত্রেও তৃতীয় লিঙ্গ অপশন রাখার পরিকল্পনা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে প্রশাসনিক কারণে তা কার্যকর করা সম্ভব হল না।

তবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ই দেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় যারা ভর্তির আবেদনপত্রে বৃহন্নলাদের নিজস্ব সত্ত্বার পরিচয় দেওয়ার ব্যবস্থা রাখল। তাদের আগেই ২০১০ সালে ভর্তির আবেদনপত্রে বদল এনে রূপান্তরকামীদের পৃথক পরিচিতি জানানোর ব্যবস্থা করে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপনেও ভারতের সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় পুরুষ ও মহিলার পাশাপাশি ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ প্রার্থীদেরও আবেদনের আহ্বান জানিয়েছে।

এএসএ/