নারী পাচার ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপ

0
63
whatsapp
হোয়াটসঅ্যাপ লোগো।

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নারী পাচার বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে মেয়েদের উদ্ধার করা গেলেও পাচারকারীরা ধরা-ছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। নারী পাচার ঠেকাতে এবং পাচারকারীদের আটকের সাহায্য করবে হোয়াটসঅ্যাপ মোবাইল মেসেঞ্জার সার্ভিস।

whatsapp
হোয়াটসঅ্যাপ লোগো।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, খুব শিগগির ভারতের প্রতিটি রাজ্যে নারী পাচার ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপ মোবাইল মেসেঞ্জার সার্ভিসের ব্যবহার শুরু হবে। পুলিশের পাশাপাশি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, রেল এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে ওই মেসেঞ্জার সার্ভিসের আওতায় আনা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ ও নারী পাচারবিরোধী সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেই বিভিন্ন রাজ্যে নারী পাচার বাড়ছে। এই সমন্বয়ের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে হোয়াটসঅ্যাপ মোবাইল মেসেঞ্জার সার্ভিস।

এই সেবার কার্যক্রম সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে বলা হয়, হোয়াটসঅ্যাপে একটি গ্রুপ তৈরি করা হবে। প্রতি রাজ্যে ১ জন করে পুলিশকর্তা সেই গ্রুপের সদস্য থাকবেন। নারীকল্যাণ মন্ত্রক, বিএসএফ, রেল ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্তারাও থাকবেন এখানে। কোনো রাজ্যের নারী নিখোঁজ হলে তার ছবি ও বিবরণ ওই গ্রুপে দেওয়া হবে। ফলে পুলিশ-প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সজাগ থাকবে। সতর্ক হবেন রেলকর্তারাও। এতে পাচারের আগেই হারিয়ে যাওয়া নারীকে উদ্ধার করা সম্ভব। পাচারকারীকেও হাতেনাতে ধরা যাবে।

এক পুলিশ কর্মকর্তার মতে, কোনো নারী হারিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ছবি ও বিবরণ গ্রুপে দেওয়া হবে। এতে সব স্টেশন ও সীমান্তে থাকা কর্মীরা হারানো ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে পারবে। ফলে তাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব। বিএসএফ বা গোয়েন্দারাও এ তথ্য জানতে পারবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম-সচিব সুরেশ কুমার বলেন, দিল্লিতে ইতোমধ্যেই পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই ধরনের গ্রুপ রয়েছে। সব রাজ্যে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে। স্মার্টফোন প্রযুক্তির সঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হোয়াটসঅ্যাপের মতো মেসেঞ্জার সার্ভিস। অফিসেও হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বাড়ছে। এই সেবার মাধ্যমে শিগগির সুফল পাওয়া যাবে।

এমই/