সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি সীমায় হা-ওয়েল টেক্সটাইল

0
55
হা-ওয়েল টেক্সটাইলের লোগো
Ha-well
হা-ওয়েলে টেক্সটাইলের লোগো

কোন রকম কারণ ছাড়াই সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি সীমা স্পর্শ করেছে বস্ত্র খাতের হা-ওয়েল টেক্সটাইল বিডি লিমিটেড। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫ টাকা ২০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। যা সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি সীমায় অবস্থান করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

তবে, এই কোম্পানিটির শেয়ারটির দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ডিএসইকে।

সার্কিট ব্রেকারের নিয়ম অনুযায়ী একদিনে কোনো কোম্পানির শেয়ার অথবা ইউনিটের দর কোম্পানি ভেদে র্সবোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। এ দরের পর কেউ শেয়ার অথবা ইউনিট বিক্রি করতে পারবে না। তবে কেউ বিক্রি করতে চাইলে এ দর বা তার নিচে শেয়ার/ইউনিট বিক্রি আদেশ দিতে হবে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলসএর ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ দর বেড়ে সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি সীমায় ছিল। এদিন এ কোম্পানরি ২৮ লাখ ১০ হাজার ৫০০শেয়ার ২ হাজার ৯১ বার লেনদেন হয়। শেয়ারপ্রতি ৫৩ টাকা ৯০ পয়সা লেনদেন শুরু হয়ে সর্বশেষ ৫৭ টাকা ৭০ পয়সায় শেষ হয়। এক পর্যায়ে হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস এর ক্রেতা থাকলেও বিত্রেতা না থাকায় ২৩২ বার লেনদেনের পরই হল্টট্রেড হয়ে পড়ে।

জানা যায়, হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এদিকে জুন ক্লোজিং কোম্পানিটির জানুয়ারি ২০১৪ হতে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো রকম ঘোষণা অথবা কারণ ছাড়া শেয়ার দর বাড়াটা ভালো লক্ষণ নয়। বেশির ভাগ সময় কারণ ছাড়া শেয়ার দর বাড়লে এসব কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি হয়ে থাকে।তবে নতুন কোম্পানি এবং জুন ক্লোজিং হওয়ায় সামনেই ডিভিডেন্ড ঘোষনা আসছে ।তার একটি প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থসূচক/এমএম/এসএ/