সেপ্টেম্বর থেকে আইপিও’র নতুন পদ্ধতি

0
167
ipo application
আইপিও'র আবেদন জমা দিতে ব্যাংকের সামনে বিনিয়োগকারীদের লাইন-ফাইল ফটো

ipo applicationশেষ পর্যন্ত আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) নতুন পদ্ধতির বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে যেসব ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পেরেছে  তাদেরকে নিয়েই শুরু হবে এ পদ্ধতি। পরবর্তীতে এটি সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৫২৪তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে যে কোম্পানির চাঁদা গ্রহণ করবে তার মাধ্যমে পাইলট প্রজেক্ট শুরু হবে। নতুন এ পদ্ধতিতে অংশ নিবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৬৬ টি, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ৩৬ টি ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান ও ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক। নতুন পদ্ধতি চালুর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ, স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংককে তাদের গ্রাহকদেরকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলেছে বিএসইসি।

নতুন পদ্ধতি কার্যকর হলে ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপির মাধ্যমে আইপিওর আবেদন করতে হবে বিনিয়োগকারীদেরকে। এতে আইপিও আবেদনের ঝক্কি ঝামেলা অনেক কমে আসবে।

এই পদ্ধতিতে ডিপির কাছে সংরক্ষিত হিসাবে আইপিওর জন্য প্রযোজ্য অর্থ জমা রাখতে হবে। আবেদনের পর ডিপি ওই অর্থ ব্লক করে দেবে। আইপিও’র লটারি না হওয়া পর্যন্ত ওই অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর করা যাবে না। তা দিয়ে কোনো শেয়ারও কেনা যাবে না। লটারিতে কৃতকার্য হলে ওই হিসাব থেকে প্রযোজ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে পাঠিয়ে দেবে ডিপি। আর অকৃতকার্য হলে টাকা আন-ব্লক করা হবে। তখন চাইলেই তা তুলে নিতে, স্থানান্তর করতে বা শেয়ার কেনায় ব্যবহার করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী।

উল্লেখ, বর্তমান পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার বেচতে আগ্রহী কোম্পানি কয়েকটি ব্যাংককে তাদের হয়ে আবেদনপত্র ও শেয়ারের টাকা সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়। এর বিনিময়ে ব্যাংকগুলো একটি কমিশন (জমাকৃত প্রতি ১০০ টাকায় ১০ পয়সা হিসেবে) পেয়ে থাকে। প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট বা ডিপি আবেদনপত্র জমা নেবে। আর শেয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই জমা থাকবে ডিপির কাছে। লটরিতে কোনো বিনিয়োগকারী কৃতকার্য হলেই ডিপি তার কাছে সংরক্ষিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির একাউন্টে জমা করে দেবেন। ফলে অর্থ ফেরতের (রিফান্ড) কোনো জটিলতা থাকবে না। সব মিলিয়ে বিনিয়োগকারীরা ঝামেলাহীনভাবে আইপিওর আবেদন করতে পারবেন। আর এ প্রক্রিয়া শেষ করতে সময়ও লাগবে কম।

জিইউ