‘জমির ব্যবহার নীতির উন্নয়ন করতে হবে’

0
81
Cirduf
সিরডাপ মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) সহায়তায় ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ আউটলুক ২০১২’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ।

২০৫০ সালে দেশের জনসংখ্যা ২০ কোটি হবে। তখন মাথাপিছু চাষযোগ্য জমির পরিমাণ হবে ২৫০ বর্গমাইল। তাই আগামীতে জমির ব্যবহার নীতি উন্নত করতে হবে।

Cirduf
সিরডাপ মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) সহায়তায় ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ আউটলুক ২০১২’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ।

রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) সহায়তায় ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ আউটলুক ২০১২’শীর্ষক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের ইক্যুসিস্টেমে ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। জমি, পানি, জীববৈচিত্র, বায়ু এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, দেশের অপ্রতুল জমি, নতুন কলকারখানা নির্মাণ, আবাসনের ফলে জমিতে চাপ পড়ছে। এর ফলে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। সমন্বিত ভূমি ব্যবস্থাপনা, জমি ব্যবহার নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি ২০০১ সালে প্রণীত জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতিমালা উন্নত করতে হবে।

আল ইসলাম জ্যাকব এমপি বলেছেন, উন্নয়নের সকল খাতে পরিবেশকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিবেশের বিভিন্ন উপাত্ত এবং সমস্যার সমন্বিত বিশ্লেষণের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এ প্রতিবেদনে।

তিনি বলেন, টেকসই ও পরিবেশ সম্মত উন্নয়নের জন্য আইনগত ব্যবস্থার পাশাপাশি আমরা নীতি ও কৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এতে দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে নীতিগত ও আইনগত ভিত্তি আরও সুদঢ় হয়। যে উন্নয়ন পরিবেশবান্ধব নয়, তাকে টেকসই উন্নয়ন বলা যাবে না। কাজেই উন্নয়নের সকল খাতে পরিবেশকে প্রাধান্য দিতে হবে।

জলবায়ু ও পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, জলবায়ু বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানে আমাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে তা প্রদান করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ‘জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতিমালা’ নামে একটি খসড়া প্রণয়ন করে সরকার। কিন্তু ক্যাটাগরি ভিত্তিতে ভূমির জোনিং সম্পন্ন না হওয়ায় সে সময় নীতিমালাটি অনুমোদন করা হয়নি। পাইলট প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের ২১টি জেলায় ভূমির জোনিং কার্যক্রম হাতে নেয় সরকার।

এই কার্যক্রমের অংশ হিসাবে উপকূলের ভূমিকে কৃষি বা আবাদি জমি, আবাসন ভূমি, বনাঞ্চল, জলমহাল, পুকুর, চা বাগান, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় অকৃষি ভূমি ইত্যাদি মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব সফিকুর রহমান পাটোয়ারী, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক রাইসুল আলম মণ্ডল প্রমুখ।

এইচকেবি/এমই/