‘ঝুঁকি নিয়ে সারা দেশে চলছে দেড় হাজার লঞ্চ’

0
62
enewspaprer

enewspaprerআজ শনিবার দেশের বেশিরভাগ পত্রিকা পদ্মা ট্র্যাজেডির কারণ ও এর উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে লিড নিউজ করেছে। সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, সরকারি অনুমোদন নিয়ে মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে লঞ্চ চলছে ৮৩টি।

এগুলোর মধ্যে ফিটনেসের মেয়াদ চলে গেছে ১২টির। আর সর্বশেষ ৪ আগস্ট মাওয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটিরও চলাচলের অনুমতির মেয়াদ ছিল না। ঝুঁকি নিয়ে সুনামগঞ্জ, আশুগঞ্জ, পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালি, ভোলা, বরিশাল প্রভৃতি রুট এবং হাওর এলাকায় লঞ্চগুলো চলছে।

একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা বন্ধে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। লঞ্চের নকশা প্রণয়ন থেকে নির্মাণের পর নদীতে নামা ও দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় থাকে না। সংস্থাগুলোর এই সমন্বয়হীনতার কারণে সমস্যা দিন দিন বাড়ছে।

প্রথম আলোর লিড নিউজের শিরোনাম হলো- ‘সমন্বয় নেই নৌ সংস্থাগুলোর’। এর টিকার হলো- ‘ঝুঁকি নিয়ে দেড় হাজার লঞ্চ চলছে সারা দেশে’।

কালের কণ্ঠ লিড নিউজ করেছে- ‘লঞ্চ উদ্ধারের আশা নেই!’ এর টিকার হলো- ‘যেকোনো সময় পরিত্যক্ত ঘোষণা হতে পারে উদ্ধার কার্যক্রম’।

সমকালের লিড নিউজের শিরোনাম হলো- ‘ওরা ১৮ দালাল!’। আর পদ্মা ট্র্যাজেডি নিয়ে পত্রিকাটি নিউজ করেছে- ‘লঞ্চের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে’।

দৈনিক ইত্তেফাক লিড নিউজ করেছে- ‘খোঁজ মেলেনি পিনাকের ৪০ লাশ উদ্ধার’।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার লিড নিউজ করেছে- ‘Road crashes ruin families’. এর টিকার হলো- ‘Analysis shows 73pc of victims are of most productive segment of population’.

দ্য ফিনান্সিয়ালের লিড নিউজের শিরোনাম হলো-Falling freight income taking heavy toll on local shippers. এর টিকার হলো- ‘12 ocean-going ships sold out in last one year’.

এএসএ/