আরও ৫ লাশ উদ্ধার, খোঁজ মেলেনি পিনাকের

0
43
Launch

Launch

মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় ডুবে যাওয়া লঞ্চের আরও ৫ জন যাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ লাশ উদ্ধার করা হয়।এ নিয়ে দুর্ঘটনার ৫ দিন পর্যন্ত মোট ৩৮টি লাশ উদ্ধার করা হলো।

লৌহজং উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দোজা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বরিশাল থেকে তিনটি ও আজ শুক্রবার সকালে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়।

৫ দিন পরও খোঁজ মেলেনি পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ পিনাক-৬ এর। লঞ্চটির অবস্থান সনাক্ত করতে শুক্রবার সকাল থেকে অনুসন্ধান কাজে যোগ দিয়েছে চট্টগ্রাম থেকে আসা জরিপ-১০।

লঞ্চডুবির পর থেকেই নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী দল- কোস্টগার্ড, ফায়ার ব্রিগেড, অনুসন্ধানী জাহাজ কান্ডারী-২ এবং সাইটস্ক্যান ‘সোনার’ ব্যবহার করে তিস্তা, সন্ধানী, আইটি ৯৭ ও ব-দ্বীপ নামে বেশ কয়েকটি অনুসন্ধান জাহাজ শুক্রবার সকাল থেকে ‘পিনাক-৬’-এর অনুসন্ধান করছে।

নৌবাহিনী সদরদপ্তরের উপ-পরিচালক কমান্ডার হাবিবুল আলম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের ৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান করার পর এখন নতুন করে অভিযান চালাচ্ছে তারা। ঘটনাস্থলে জরিপ-১০ পৌঁছানোর ফলে অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান ড. শামসুদ্দোহা খন্দকার জানান, দুর্ঘটনাস্থলে প্রবল স্রোত এবং পানির গভীরতা প্রায় ৮০/৯০ ফুট। ঘূর্ণাবর্তের কারণে সেখানে গর্ত সৃষ্টি ও বালু জমা হচ্ছে। তাই লঞ্চটি দূরে সরে বালুর নিচে চাপা পরে থাকতে পারে। তাই শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানিয়েছেন, লঞ্চ উদ্ধারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। তাদের তালিকায় এখন পর্যন্ত ১৩০ জন নিখোঁজ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথে তীব্র স্রোতের মধ্যে ডুবে যায় লঞ্চ এমএল পিনাক-৬। এতে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন।