বাড়ি ও জমির রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বাড়তে পারে

0
101

Land_Plotদেশে বাড়িসহ সব ধরনের জমি কেনা-বেচায় রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন ব্যয় বাড়তে পারে।তবে এ মুহূর্তে রেজিস্ট্রেশনের ফি বাড়বে না।বাড়বে জমির জন্য নির্ধারণ করা ন্যূনতম মূল্য।এ মূল্যের ভিত্তিতেই নিবন্ধন ফি দিতে হয় সরকারকে।

জমির ন্যূনতম মূল্য বাড়লে এনবিআরের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। কারণ  জমি বিক্রি থেকে প্রাপ্ত মুনাফার উপর সরকারকে কর দিতে হয় (গেইন ট্যাক্স)। রাজধানীতে কর দিতে হয় দুই শতাংশ হারে, আর রাজধানীর বাইরে এর হার এক শতাংশ।

জানা গেছে,জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মনে করে বর্তমানে বিভিন্ন এলাকার জমির জন্য নির্ধারণ করা ন্যূনতম মূল্য ও বাস্তব বাজার মূল্যের মধ্যে অনেক ব্যবধান।ন্যূনতম মূল্য অনেক কম হওয়ায় সরকার তার প্রাপ্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।তাই তারা চায় সরকার জমির ন্যূনতম মূল্য বাড়িয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসুক।এটি করা হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।এনবিআর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে,গত সপ্তাহে এনবিআর উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে জমির ন্যূনতম মূল্য পুনঃনির্ধারণে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বৈঠকে আয় কর,আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর বিভাগের কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস তথা নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আয়ে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে।চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা দুরুহ হবে বলে কমিশনাররা মত দেন।এমন অবস্থায় নন-এনবিআর তথা এনবিআরের আওতা বহির্ভূত রাজস্ব বাড়ানো জরুরী বলে তারা একমত হন।এরই অংশ হিসেবে তারা জমির ন্যূনতম মূল্য বাড়িয়ে ভূমি নিবন্ধন খাত থেকে বাড়তি রাজস্ব আয়ে সরকারকে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেন।

বৈঠকে প্রাপ্য সম্পদ কর আহরণ নিশ্চিত করার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।উল্লেখ, দুই কোটি টাকার বেশি মূল্যের স্থাবর সম্পদের ক্ষেত্রে করের বিধান রাখা হয়েছে বাজেটে।