বড় ট্রফি জিতলেই বড় প্লেয়ার হওয়া যায়: মুস্তাফিজ

বড় মাপের ক্রিকেটার হতে হলে বড় কোনো শিরোপা জেতার বিকল্প দেখছেন না মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এমনটাই বলেছেন বাঁহাতি এই পেসার।

২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির ইভেন্টগুলোতে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। সেই দলে খেলা হয়েছে মুস্তাফিজেরও। এ ছাড়া অন্য কোনো আসরে বলার মতো পারফরম্যান্স করেনি লাল সবুজের দল।

সম্প্রতি মুস্তাফিজ বলেন, ‘ভালো করার তো শেষ নাই। চেষ্টা করব আগে যা করেছি, সেটা থেকে আরও ভালো করার। আমার মনে হয় বড় প্লেয়ার যে সময় হয়, সে বড় ইভেন্টগুলো জিতে, বড় ট্রফি জিতে। সে সময় বড় প্লেয়ার বলা হয়। এই আক্ষেপ তো সবসময় রয়ে গেছে।’

২০২২ সালের জুনে শেষবারের মতো টেস্ট খেলতে দেখা যায় মুস্তাফিজকে। এই ফরম্যাটে অবসর না নিলেও আর দেখা যায় না তাকে। ওয়ানডে ক্রিকেটে অবশ্য নিয়মিতই খেলেন এই পেসার। তবে মুস্তাফিজের পছন্দ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট।

তিনি বলেন, ‘দেশের হয়ে খেলাটা গৌরবের বিষয়। আমি সবসময় উপভোগ করি দেশের হয়ে খেলাটা। ভালো লাগার কথা বললে আমি টি-টোয়েন্টিটা খুব উপভোগ করি। এই ফরম্যাটটা বেশ চাপের। এ কারণেই মনে হয় ভালো লাগে আমার। চাপ নিয়ে খেলতে অনেক উপভোগ করি। আমাদের যে বোলাররা আছে তাসকিন, শরিফুল, সাইফউদ্দিন, হাসান- আমি যতটুকু শিখেছি ওদের সাথে শেয়ার করি.. যদি আমাদের আরেকটু উন্নতি হয়।’

দেশ বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ‘দ্যা ফিজ’ নামেই বহুল পরিচিত মুস্তাফিজ। এই নামের উৎপত্তি নিয়েও কথা বলেছেন এই পেসার। একইসাথে নিজের ব্যতিক্রমী রানআপ নিয়েও কথা বলেছেন তিন ফরম্যাটে তিনশ’র বেশি উইকেট নেয়া মুস্তাফিজ। তিনি আরও বলেন, ‘বোলিং বোর্ড বা ফিল্ডিং বোর্ডে আমার নাম ধরত না, তাই সংক্ষেপে ফিজ লিখত, আমি জিগ্যেস করলাম এটা কে। আমাকে বলল এটা তুমি। ওই সময়ে আমি আইপিএল খেলতে গেলাম, ওখানেও নামটা ছড়িয়ে যায়। আমার আগে রানআপে খুব সমস্যা ছিল। আমি বোলিং করলে ওভারস্টেপ হতো। তবে নাইন-টেনে থাকতে কোচ বলেছিল, তুই এই জায়গা থেকে শুরু কর, এভাবে শুরু কর। ওইটা রয়ে গেছে। ওইটা থেকেই এমন হয়ে গেছে (হাসি)।’

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.