হলমার্ক কেলেঙ্কারি: পালিয়ে যাওয়া সেই আসামি কারাগারে

হলমার্ক কেলেঙ্কারির মামলায় সাজার রায় শুনে পালিয়ে যাওয়া সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩১ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেমের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি।

এ সময় তার পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল। দুদকের পক্ষে মীর আহাম্মদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহাম্মদ আলী সালাম এ সব তথ্য জানান।

জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ দুর্নীতির ১১ মামলার মধ্যে এক মামলার রায়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ সাত কর্মকর্তাকে পৃথক দুই ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকারকে এক ধারায় পাঁচ বছর এবং আরেক ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জামিনে থাকা একমাত্র আসামি জামাল উদ্দিন রায় শুনতে আদালতে হাজির হন। হাজিরা কাগজে স্বাক্ষরও করেন। রায় ঘোষণা শোনেন। আদালত তাকে পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের সাজা দেন। সাজার রায় শোনার পর এক ফাঁকে আদালত থেকে পালিয়ে যান তিনি। পরে আদালত জামাল উদ্দিনের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

অর্থসূচক/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.