৭ হাজারের ক্লাবে সাকিব

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে মাত্র ৮ রানের প্রয়োজন ছিল সাকিব আল হাসানের। এমন কীর্তি গড়তে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে সাকিবকে খেলতে হলো ৬ বল। সৈকত আলীর লেগ স্টাম্পের ওপর করা গুড লেংথ ডেলিভারিতে মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে দুই রান নিলেন সাকিব। তাতেই তামিম ইকবালের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করলেন তারকা এই অলরাউন্ডার। ২০ ওভারের ক্রিকেটে ৭ হাজার করতে সাকিবকে খেলতে হয়েছে ৪২২ ইনিংস। ওপেনার তামিম সেটি করেছিলেন ২৪২ ইনিংসে ব্যাটিং করে।

জাতীয় দলের হয়ে খেলার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন লিগে খেলেছেন সাকিব। আইপিএল থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ, সিপিএল, এলপিএল, পিএসএল এবং কানাডার টি-টোয়েন্টি লিগ খেলার মতোও অভিজ্ঞতা আছে তার। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৪২২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২৯ হাফ সেঞ্চুরি করা বাঁহাতি এই ব্যাটারের রান বর্তমানে ৭ হাজার ১৯।

টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ব্যাট হাতে ৭ হাজার রান করার পাশাপাশি বোলিংয়ে ৪০০ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। এর আগে এমন কীর্তি গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল। তারকা এই অলরাউন্ডার ৭ হাজার ৯৯২ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৪২৪ উইকেট। যেখানে বাংলাদেশের সাকিবের উইকেট ৪৭৪।

এদিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মাঝে সাকিবের চেয়ে বেশি রান আছে কেবল তামিম। বিপিএলের গত মৌসুমে ৭ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করা বাঁহাতি এই ওপেনার বর্তমানে সবার উপরে আছেন ৭ হাজার ৩৮৬ রান নিয়ে। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরিও আছে তার। তালিকার নিতে আছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। ২৬৪ ইনিংসে মিডল অর্ডার এই ব্যাটার করেছেন ৫ হাজার ৬১৯ রান। ফিনিশার হিসেবে খ্যাতি পাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে ৫ হাজার ৫৫৭৬ রান। চার হাজার রানের ঘরে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার।

অর্থসূচক/এএইচআর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.