চড়া দাম থেকে রেহাই পাচ্ছে না গ্রামের মানুষও

মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে সবজি ও মাছ-মাংসের দামে। এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পায়নি গ্রামাঞ্চলের মানুষও। শহরের মতো গ্রামেও সব ধরনের সবজির দাম এখন চড়া।

বাগেরহাট জেলার বেশ কয়েকটি স্থানীয় বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচাবাজারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে প্রতি কেজি শিমের দাম ৬০ টাকা, শালগম ৭০ টাকা, আলু ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা এবং প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, প্রতি বছর শীতের এই সময়ে সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি।

এদিকে বর্তমানে মাছের দামও বেশি। আগে দাম কম থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষ মাছ হিসেবে তেলাপিয়া ও পাঙাস ছিল পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু দাম বাড়ায় এই মাছও কিনতে এখন দু’বার ভাবতে হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষকে।

এসব বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি পাঙাস ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় ও তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়। যা এক বছর আগেও যথাক্রমে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা ও ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া গেছে। এদিন বাজারে রুই মাছ, কাতল মাছ, ইলিশ মাস এবং সামুদ্রিক অন্যান্য মাছের দামও কিছুটা বেশি।

এ ছাড়া গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে মাছের পাশাপাশি মাংসের দামও চড়া। বর্তমানে ১ কেজি ব্রয়লার মুরগি কিনতে ব্যয় হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত। যেখানে এক বছর আগেও ১৪০-১৬০ টাকায় পাওয়া যেত। এছাড়া এখন প্রতি কেজি গরুর মাংস কিনতে খরচ হয় ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধারণ মানুষের আয় না বাড়ায় তাদের কষ্ট আরও বেড়েছে। ফলে গত এক বছর ধরেই মূল্যস্ফীতির চাপ তীব্রভাবে অনুভব করছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশ। এর মানে হলো, দেশের মানুষকে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।

 

অর্থসূচক/সোলাইমান/এএইচআর

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.