বেড়েছে মসলার দাম

0
121
Gorom moshla
গরম মসলা। ফাইল ছবি

পাইকারি বাজার অপরিবর্তিত থাকলেও ঈদের বেশ কিছুদিন আগেই খুচরা বাজারে বেড়েছে গরম মসলার দাম। এছাড়া রোজার শুরু থেকেই পেঁয়াজ, আদা, রসুন এবং শুকনা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখীই রয়েছে।

Gorom moshla
গরম মসলা। ফাইল ছবি

রোজার আগে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩২-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন এর মূল্য ৪০-৪৩ টাকা। ভারতীয় পেয়াজ ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৪৫ টাকা, রসুন ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০-১০০ টাকা এবং দেশি আদা ১৬০-১৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারের শুকনো গুড়া মরিচ ২০০ টাকা, ধনিয়া ১৮০-১৯০ টাকা, গুড়া হলুদ ১৮০ টাকা, জিরা ২৬০-৩৮০ টাকা, বড় এলাচি ২৬০০ টাকা, ছোট এলাচি ১০৮০ টাকা, দারুচিনি ২৯০-৩০০ টাকা, তেজপাতা ১৮০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকা, দেশি আদা ১৭০-১৮০ টাকা, চায়না আদা ২২০-২৪০ টাকা, রসুন ৭০-৮০ টাকা, এক দানা রসুন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কালিজিরা ১৫০ টাকা, তিল ৮০-১৩০ টাকা, কিসমিস ৩৫০-৪২০ টাকা, বাদাম ৮০ টাকা, মিষ্টি সফ ১৮০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১২৮০-১৩০০ টাকা, কালো গোল মরিচ ৯২০ টাকা, শাহি জিরা ১৮০ টাকা, সরিষা ৮০ টাকা, মেথি ১১০-১২০ টাকা।

জায়ফল ৯৫০-১০০০ টাকা, জয়ত্রী ১৮০০-২০০০ টাকা, আলু বোখারা ৩২০ টাকা, কাঠবাদাম ৭৭০-৮০০ টাকা, রাঁধুনি ১৬০-১৮০ টাকা, মৌরি ১৮০-২০০ টাকা, পোস্তদানা ৮০০-১০০০ টাকা, হিং ৬৫০ টাকা, আদা শুট ৩৮০-৪০০ টাকা, আটমোড়া ৮০০ টাকা, কবাব চিনি ১০২০ টাকা, একাঙ্গি ৬৫০ টাকা, পিপুল ১২৮০ টাকা, রোজমেরি ৭০০ টাকা, ওরিগেনা ৭২০ টাকা এবং পাপরিকা এক বোতল ২০০-২১০ টাকা ও সিরকা ৪৫-৯০ টাকা দরে বিক্রি করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি মসলা বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, গত এক মাসে জিরা, ধনিয়া, লবঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো মসলার দাম বাড়েনি। ঈদের আগে এ দাম বাড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই।

তবে খুচরা বাজার ঘুরে দামের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। খুচরা বাজারে মসলার বাজার বেশ চড়া। শুকনা গুড়া মরিচ ২২০-২৪০ টাকা, ধনিয়া ২২০-২৫০ টাকা, গুড়া হলুদ ২০০-২২০ টাকা, জিরা ৪৫০-৫০০ টাকা, ছোট এলাচি ১৩০০-১৩৫০ টাকা, দারুচিনি ৩২০-৩৮০ টাকা, তেজপাতা ২২০ টাকা, সাদা গোল মরিচ ১৫০০-১৬০০০ টাকা, কালো গোল মরিচ ১০০০-১০৫০ টাকা, জায়ফল পিচ ১০-১২ টাকা, জয়ত্রী ৩৬০০ টাকা, আলু বোখারা ৪৫০-৪৭০ টাকা, কাঠবাদাম ৯০০-৯৫০ টাকা মৌরি ২৫০-২৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা।

শান্তিনগর বাজারের মসলা বিক্রিতা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা পাইকারি বাজার থেকে যে দাম দিয়ে পণ্য কিনে তার সাথে অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ যোগ করে যে দাম পড়ে তা থেকে কিছুটা লাভ করে পণ্য বিক্রি করে। ঈদকে কেন্দ্র করে মসলার দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানান তিনি।

এমই/