এসিডিটির সমস্যায় করণীয়

0
348
heartburn-
ada
এসিডিটির সমস্যা দূর করবে এসব খাবার- ফাইল ছবি।

রমজানে গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা অনেক বেশি বেড়ে যায়। এর কারণ সারাদিন শুধু অভুক্ত থাকাই নয়, বরং বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণেও এ সমস্যা বেড়ে যায়। যদিও আমাদের দেশে আজকাল খুব স্বাভাবিক ব্যাপার এটি।

একটু অনিয়ম করলে কম-বেশি সবাইকে ভূগতে হয় এ সমস্যায়। কেউ কেউ আবার বছরের বেশিরভাগ সময়ই এ সমস্যায় নিদারুণ কষ্ট ভোগ করে থাকেন।

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে এর প্রতিকারে আজকাল অনেক দামি ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে বিশেষ করে গরিব মানুষের পক্ষে তা সবসময় কেনা সম্ভব হয়না। অথচ একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রাকৃতিক জিনিস আছে যেগুলো দিয়েই এর নিরাময় সম্ভব।

এবার অর্থসূচকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো এসিডিটির সমস্যায় করণীয় সম্পর্কে:

এক. আদা:

আদা এমন একটি ভেষজ উপাদান যা আমাদের অনেক কাজে লাগে। প্রতিবার খাদ্য গ্রহণের আধা ঘন্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা চলে যাবে।

দুই. লং:

লং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভালো কাজ দেয়। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবালে এর রসটা আপনার এসিডিটি দূর করতে সাহায্য করবে।

তিন. তুলসী পাতা:

হাজারো গুণে গুণান্বিত তুলসী পাতা। এসিডিটি দূর করতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ৫-৬ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে দেখবেন এসিডিটি কমে গেছে। এমনকি তুলসী পাতা প্রতিদিন ব্লেন্ড করে পানি দিয়ে খেলে তার এসিডিটি হওয়ার প্রবনতা একেবারেই কমে যাবে।

চার. পুদিনা পাতা:

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে পুদিনা পাতার রসও বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে এসিডিটি ও বদহজম দূর হয়।

পাঁচ. জিরা:

এক চা চামচ জিরা ভেজে নিয়ে একটু ভেঙ্গে নিন। এরপর এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় পান করুন। দেখবেন, ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

ছয়. গুঁড়

গুঁড় বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে সাথে সাথে এক টুকরো গুঁড় মুখে নিয়ে সম্পূর্ণ গলে না যাওয়া পর্যন্ত রাখুন। তাতে ভালো ফল পাবেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।

সাত. বোরহানী:

টক দই, বীট লবণ ইত্যাদি নানা এসিড বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি হয় বোরহানী। তাই এটি হজমে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ভারি খাবারের পর একগ্লাস করে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।

আট. দুধ:

দুধও এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। কারণ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করে। রাতে একগ্লাস দুধ ফ্রিজে রেখে দিয়ে পরদিন সকালে খালি পেটে খেলে সারাদিন এসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যায়। তবে কারও পেট দুধের প্রতি অতিসংবেদনশীল হলে তাদের দুধ না খাওয়াই ভালো।

নয়. মাঠা:

দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরি মাঠা একসময় আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় ছিল। সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া যোগ করলে এসিডিটি দূর করতে এটি টনিকের মতো কাজ করে।

এসিডিটির সমস্যা থেকে বাঁচতে উপরোক্ত খাবারগুলো খাওয়ার চেষ্টা করুন। কম পরিশ্রমে সুস্থ থাকুন।

এএসএ/

এরকম আরও সংবাদঃ


friendship

প্রেমের প্রস্তাব যখন বন্ধুর কাছ থেকে…

বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে পড়েন সোহাগ ও মিশু। আস্তে আস্তে তাদের মধ্যে তৈরি হয় ভালো বন্ধুত্ব। দিন বাড়ার সাথে সাথে মিশুর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েসোহাগ। কিন্তু বন্ধুত্বের কারণে নানা দ্বিধায় মনের কথা বলতে পারে না সে। একদিন মনের না বলা কথাগুলো টেক্সট এ জানায় মিশুকে। বন্ধুর এমন কথায় অবাক মিশু। …


backpainব্যাক পেইনের ৮ কারণ
ব্যাক পেইন নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন অনেকেই। বলা নেই-কওয়া নেই হুট করে হাজির আর পুরো দিনটাই মাটি। কিন্তু আপনি হয়তো নিজেও জানেন না আপনারই কিছু অভ্যাস ঘরে ডেকে আনছে এই বিড়ম্বনাকে। বিশেষ করে ৮ ধরনের বদভ্যাসের কারণে দেখা দেয় এই অনাকাঙ্ক্ষতি শারীরিক উৎপীড়ন।

কেউ যদি বলে, ছেলেটা যেমন স্মার্ট, তেমনি লম্বা কিংবা মেয়েটির চেহারা ভারি মিষ্টি আর কি সুন্দর একহারা গড়ন! শুনতে কতই না ভাল লাগে।কিন্তু এ প্রশংসা সবার ভাগ্যে জোটেনা। আর আমাদের দেশে যেহেতু পরিবেশ ও বংশগত কারণে উচ্চতা খুব একটা বেশি হয় না, তাই লম্বা হওয়া নিয়ে কমবেশি সকলের থাকে কিছুটা আক্ষেপবৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত, আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তার ৮০%নির্ভর করে আপনার বংশের ওপর। তবে তার মানে

 

এ ধরনের আরও নিউজ পড়তে ক্লিক করুন-

এধরনের আরোও খবর জানতে ক্লিক করুনঅর্থসূচক লাইফস্টাইল

মুভি, গান এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সফটোয়্যার ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন- অর্থসূচক ম্যাগাজিন