ছুটির দিনে হিমশিম বিক্রেতারা

0
134
New Market 4
নিউমার্কেটের একটি দোকানে ক্রেতার ভিড়। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন
কয়েকদিন আগেও প্রায় ক্রেতাশূন্য ছিল রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট। দিন কয়েকের ব্যবধানে মুখর হয়ে উঠেছে শপিং মলগুলো। বাড়ছে ভিড়; ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

New Market 4
নিউমার্কেটের একটি দোকানে ক্রেতার ভিড়। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

শুক্র ও শনিবার রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ ঘনিয়ে আসায় পছন্দের পোশাক দেখতে আর কিনতে বেড়েছে ব্যস্ততা। তাই প্রচণ্ড গরম ও যানজট উপেক্ষা করে সব বয়সী মানুষ মার্কেটে হাজির হচ্ছেন তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য। হঠাৎ ক্রেতার উপচেপড়া ভিড়ে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।

চাঁদনি চক মার্কেটে ঢুকতেই চোখে পড়ে সিনথিয়া গার্মেন্টস। দোকানমালিক আশরাফুল ইসলাম অর্থসূচককে জানান, বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা অনেক বেশি। বিক্রিও হচ্ছে ভালো। রোজার শুরু থেকে বিক্রি ছিল। তবে গতকাল শুক্রবার থেকে ক্রেতার ভিড় বেড়েছে। বাচ্চাদের গরমের গেঞ্জিটাই বেশি চলছে। বাচ্চাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে চায়না ও দেশি গেঞ্জি।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আব্দুল হালিম থাকেন রাজধানীর মহাখালীতে। ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শনিবার চাঁদনি চকে এসেছিলেন তিনি।

অর্থসূচককে আব্দুল হালিম বলেন, বাজারে অনেক ভিড়; রাস্তায় যানজট। তারপরও দুই ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের চারজনের জুতা ও কিছু পোশাক কিনেছি। ঈদের কেনাকাটা শেষ করতে সময় লাগবে।

New Market 5
নিউমার্কেটের একটি মনিহারি দাকানে চুরি পছন্দ করছেন দুই তরুণী। ছবি: খালেদুল কবির নয়ন

ডেনী ডোনা কর্নারের পাঞ্জাবি বিক্রেতা জানান, এখন গরম বেশি হওয়ায় সুতি পাঞ্জাবি বেশি বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার থেকে বিক্রি বেড়েছে। আশা করছি, সামনে আরও বাড়বে।

সেখানে সুতি দেশি পাঞ্জাবি ৮০০-২,০০০ টাকা, ভারতীয় সুতি ১,২০০-১,৫০০ টাকা, বাচ্চাদের শেরওয়ানি ৯০০-১,৫০০ টাকা ও বড়দের শেরওয়ানি ২,০০০-৪,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

নিউমার্কেটের সিরাজ ফ্যাশনের মালিক আব্দুল আজিজ ছেলেদের প্যান্ট বিক্রি করছেন। তিনি অর্থসূচককে জানান, এখনও রেডিমেড প্যান্ট বিক্রি কিছুটা কম। তবে রোজার শেষ ১৫ দিন বিক্রি ভালো হবে বলে আশা করছি। ৫০০-১,৩০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্যান্ট পাওয়া যাচ্ছে তার দোকানে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে বন্ধুদের সঙ্গে শপিং করতে এসেছিলেন সোহরাব হোসেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত তারা। মার্কেটের একপাশে চেয়ারে বসা সোহরাব বলছিলেন, আমরা প্রত্যেকেই টি-শার্ট কিনলাম। প্রচণ্ড গরমে যানজটের মধ্যে হাঁপিয়ে উঠেছি। কয়েকদিন আগে মার্কেটে এসেছিলাম। তখন এতো ভিড় ছিল না।