জমজমাট বসুন্ধরা সিটি

0
194
Basundhara City
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মার্কেট। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানেও গড়ে উঠছে নতুন নতুন শপিং মল। ঈদের কেনাকাটার জন্য এসব শপিং মলগুলোতে বাড়ছে জনসমাগম। এতো নতুনের ভিড়েও ক্রেতার ভরসা ধরে রেখেছে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মল।

Basundhara City 3
বসুন্ধরা সিটির একটি দোকানে ব্যস্ত সময় পার করছে বিক্রেতারা।

এই বিপণিবিতানে ভরসা রাখেন নগরীর মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা। স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে ফিরে শপিং করতে নগরবাসীর কাছে এই শপিং মলের তুলনা নেই। আর তাই ঈদকে আনন্দময় করতে ক্রেতাদের ভিড় আর দোকানিদের ব্যস্ততায় জমজমাট হয়ে উঠেছে দেশের অভিজাত এই শপিং মল।

বসুন্ধরা সিটির বিভিন্ন লেভেলে রয়েছে নানা পণ্যের সমারোহ। কিডস, জেন্টস ও লেডিস আইটেমের পাশাপাশি নানা ধরনের ঈদপণ্যে সেজেছে এই বিপণিবিতান।

বসুন্ধরার লেভেল ৩-এ তৈরি পোশাকের পাশাপাশি গজ কাপড়ও পাওয়া যাচ্ছে। মহিলাদের জন্য থ্রি-পিসসহ অত্যাধুনিক পোশাকের বেশ কয়েকটি শো-রুম রয়েছে এই ফ্লোরে। শনিবার দুপুরে গজ কাপড়ের দোকানগুলোতে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়।

Basundhara City 2
বসুন্ধরা সিটির একটি দোকানে ব্যস্ত সময় পার করছে বিক্রেতারা।

নন্দিনী ফ্যাশনের বিক্রেতারা জানান, দুই-একদিনের মধ্যে টেইলার্সগুলো অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দেবে। তাই গজ কাপড়ের বিক্রি অনেক বেড়েছে। প্রথম ২০ রোজা পর্যন্ত গজ কাপড় বেশি বিক্রি হয়। এরপর বাড়বে তৈরি পোশাকের বিক্রি।

সরেজমিন দেখা গেছে, বসুন্ধরা শপিং মলে মেয়েদের পোশাকের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বোম্বের গাউন, ফ্লোর ডান্স, কাসিস, সংস্কৃতি কারমা, খোয়াফ, বিপুল, ওম টেক্স, ফ্লোরাল, জিসা, হিরোইন, গঙ্গা ইত্যাদি। পাকিস্তানি তাহকাল এবং মুটিজের কাটতিও বেশ।

সিনহা কালেকশন শো-রুমের বিক্রেতা রনি জানান, শপিং মলের কেনাকাটা জমে উঠেছে। এবার বোম্বের গাউন বেশ চলছে। এর দাম ৭ থেকে ৪০ হাজার টাকা। ফ্লোর ডান্স মিলছে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকায়।

Basundhara City 1
বসুন্ধরা সিটির একটি দোকানে ব্যস্ত সময় পার করছে বিক্রেতারা।

বিবি ফ্যাশনে ঈদের স্পেশাল আইটেম কাসিস; যার দাম সাড়ে ৩ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা। আর সংস্কৃতি কারমা পাওয়া যাচ্ছে ৯ হাজার টাকায়। খোয়াফ বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১১ হাজার টাকায়।

রিশান বুটিকসের বিক্রেতা ফোরকান জানান, গত ৫ বছর ধরে লং ড্রেসের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। এবার লং ড্রেসে এসেছে আরও বৈচিত্র; কদরও ভালো।

সেখানে কথা হয় হাসিনা আক্তার নামে এক ক্রেতার সঙ্গে। অর্থসূচককে তিনি বলেন, বসুন্ধরা সিটি থেকেই প্রতি বছর পরিবারের সবার ঈদের শপিং করি। তবে এবার দাম অনেক বেশি।

এমই/