ভারতের কন্ডিশন নিয়ে গবেষণা করছেন বাবররা

বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফরে যাওয়ার আগে ভিসা জটিলতার মুখে পড়তে হয় বাবরদের। পাকিস্তান থেকে ভারতের সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। ফলে ২৫ সেপ্টেম্বর দুবাই হয়ে ভারতে যাওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। পরিকল্পনা অনুযায়ী দলের দৃঢ়তা বৃদ্ধির জন্য দুবাইতে দুদিন সময় কাটানোর কথা ছিল দলটির। কিন্ত ভিসা জটিলতায় সেটা আর হয়নি।

ফলে ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের উদ্দেশ্যে বিমান ধরবে পাকিস্তান। বড় কোনো টুর্নামেন্ট ছাড়া দেখাও হয় না দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের। ফলে ২০১৬ সালের পর প্রথমবার ভারত সফরে যাচ্ছে দলটি। দীর্ঘ ৭ বছরে দলে এসেছে বিশাল পরিবর্তন। ফলে বর্তমান পাকিস্তান দলে মাত্র দুজন ক্রিকেটার ছাড়া ভারতের খেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই কারো।

এদিকে ২৯ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবে পাকিস্তান। দলের দুই ক্রিকেটার মোহাম্মদ নাওয়াজ ও আঘা সালমান ছাড়া বাকি সকল ক্রিকেটারদের জন্য এটাই হবে ভারতের মাটিতে খেলা প্রথম কোনো ম্যাচ। ফলে সাধারণভাবেই কন্ডিশন নিয়ে কোনো ধারণা নেই দলটির। তবে অধিনায়ক জানিয়েছেন, ‘যদিও এর আগে আমরা ভারতে খেলিনি। তবে এর জন্য আমরা খুব বেশি চাপ নিচ্ছি না। আমরা কন্ডিশন নিয়ে গবেষণা করেছি। যতটুকু আমরা শুনেছি যে তাদের কন্ডিশন অন্যান্য এশিয়ান দেশগুলোর মতই। তবে এবার (ভারতে) অধিনায়ক হিসেবে ভারতে সফর করা আমার জন্য বেশ সম্মানের। আশা করি আমরা শিরোপা নিয়েই দেশে ফিরব।’

বিশ্বকাপের পাকিস্তানের মিশন শুরু হতে যাচ্ছে ৬ অক্টোবর নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে ১৪ অক্টোবর দলটির সবথেকে বড় পরীক্ষা। সেদিন আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাবর-শাহীন আফ্রিদিরা। বড় ম্যাচকে নিয়েও পরিকল্পনা করেছেন অধিনায়ক। দলের ডানহাতি এই ব্যাটার নিজেকে প্রস্তত করেছেন। বাবর আরও বলেন, ‘আমি আহমেদাবাদে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। সেটা বিশাল বড় একটি ম্যাচ। আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। অবশ্য আমি ব্যক্তিগত প্রশংসা নিয়ে চিন্তিত নই। তবে আমি নিশ্চিত করতে চাই যে আমি যাই করি কেন সেটা যেনো দলের ফলাফল সাহায্য করে… কোনো একটা সফর সামনে আসলেই আমি নিজেকে সময় দেই। কাদের বিপক্ষে খেলতে হবে সেই অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করি।’

অর্থসূচক/এএইচআর

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.