ফরিদপুরের লালমি বাঙ্গির ব্যাপক চাহিদা

0
70

Lalmi_bangiসারাদেশে যখন নানা বাহারি ফলে ফরমালিন দেয়ায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ক্রেতা সাধারণ, এমনি সময়ে ফরিদপুরের ক্রেতাদের নজর কেড়ে নিয়েছে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফল লালমি-বাঙ্গি। ফরমালিনমুক্ত হওয়ায় জেলার সীমানা পেরিয়ে লালমি-বাঙ্গি এখন পৌছে গেছে রাজধানীসহ বড় বড় শহরে।

প্রতিবছর রমজান মাসকে সামনে রেখে বেশ কয়েক বছর ধরে ফরিদপুরের সদরপুরের চাষীরা আবাদ করে আসছেন লালমি-বাঙ্গির। পুরো রমজান মাস জুড়েই চাষীরা এ ফল সরবরাহ করে থাকেন। লালমি-বাঙ্গির ফলন ভালো হওয়ায় আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হচ্ছেন স্থানীয় চাষীরা।

সদরপুর এলাকার চাষীরা জানান, ওই এলাকায় অধিক পরিমানে লালমি-বাঙ্গি উৎপাদন করায় এ ফল বিক্রি করতেও কৃষকদের কোন ঝক্কি পোহাতে হয়না। তবে এবছর বৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা।

কৃষকদের দাবী, জমি থেকে তুলেই বিক্রি করায় ফরমালিন বা কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার না করায় বাজারে ব্যপক চাহিদা রয়েছে বাজারে।

এদিকে লালমি-বাঙ্গি উৎপাদনে কৃষকদের সহযোগীতা বা পরামর্শ সংক্রান্তে জেলা কৃষিসম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করলেও মিডিয়ার সামনে কোন কথা বলতে চাননি কর্মকর্তারা।

কৃষকরা মনে করেন কৃষি বিভাগের সহযোগীতা পেলে প্রতি বছর জেলা জুড়ে উৎপাদন হতে পারে বিপুল পরিমান লালমি-বাঙ্গি।

উল্লেখ্য, এবছর ফরিদপুর জেলার তিনটি উপজেলায় ৭৬০ হেক্টর জমিতে লালমি-বাঙ্গির আবাদ করা হয়েছে। যার মধ্যে সদরপুরেই আবাদ হয়েছে ৬৭৫ হেক্টর জমিতে।