ছাত্রলীগের প্রতি আমার অনেক বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্রলীগের প্রতি আমার অনেক বিশ্বাস ও অনেক আস্থা রয়েছে। ২০০৭ সালে আমার বিরুদ্ধে যখন মিথ্যা মামলা হয়েছিলো, সে সময় ছাত্রলীগ আন্দোলন করেছে ও মাঠে নেমেছে। আমি মনে করি, ছাত্রলীগ তারুণ্যের শক্তি।

আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ছাত্রসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমিও কিন্তু ছাত্রলীগের একজন সদস্য ছিলাম। আমার কেবিনেটের অনেকে ছাত্রলীগ করে আসা। তিনি বলেন, ১/১১ এর সময় ছাত্রলীগ কোনো আপোষ করেনি। সেজন্য ছাত্রলীগকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, কোভিড ১৯ এর সময় ছাত্রলীগ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসার জন্য ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এ ছাড়া বন্যা বা দুর্যোগেও ছাত্রলীগ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, মানুষের কল্যাণ করেছে। করোনার সময় ছাত্রলীগ ধান কেটেছে। আমি বলেছি, তোমাদের ধান কাটতে হবে। সে সময় তারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রলীগের প্রতি আমার অনেক বিশ্বাস ও অনেক আস্থা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২১ বছর পরে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছিল। ১৯৯৬-২০০১-এ অল্প সময় পেয়েছিলাম, পাঁচ বছর ছিলাম। আমরা অনেক উন্নত করেছিলাম। এরপরে খালেদা জিয়া ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। আমি ছাত্রলীগের হাতে খাতা-কলম তুলে দিয়েছিলাম। অশিক্ষিত মূর্খের হাতে খাতা তুলে দিলে দেশ এগোয় না, উন্নত হয় না।

সরকার প্রধান বলেন, আজকে এই অনুষ্ঠান আমার মায়ের স্মরণে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয় এবং আমার মাকেও হত্যা করা হয়। জাতির পিতা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছেন ; তখন আমার মা তাকে সহযোগিতা করে গেছেন। ১৯৭৫ সালে মৃত্যুকালে তিনি সাথী ভোলেননি; জীবন ভিক্ষা চাননি।

অর্থসূচক/এমএস

  
    

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.