শিরোপায় একহাত আর্জেন্টিনার

0
76
argentina
ফাইনালে নীল-সাদারা

আর্জেন্টিনা ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল। টাইব্রেকারে ওলন্দাজদের ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠল মেসিবাহিনী। একইসাথে ফাইনালে তারা ৯০ এর শোধ নেওয়ার সুযোগ পেল।

argentina
ফাইনালে নীল-সাদারা

অসাধারণ দক্ষতায় আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলেন গোলরক্ষক রোমেরো। মেসি, আগুয়েরাদের ছাপিয়ে শেষ বিকেলের নায়ক তিনি। টাইব্রেকারে কমলাদের দুটি শট ঠেকিয়ে দেন রোমেরো। নিজেদের শটগুলো কোনোটি নষ্ট না করলে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা।

খেলার নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল পায়নি। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটও থাকে গোলশূন্য।

১৫ মিনিটে ডি বক্সের ঠিক বাইরে থেকে মেসির চমৎকার ফ্রি-কিক ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান ডাচ গোলরক্ষক ইয়াসপার সিলেসেন।

৩২ মিনিটে কর্ণার থেকে প্রথম সুযোগ তৈরী করে নেদারল্যান্ডস। বাঁদিক থেকে স্নেইডারের কর্নার ফিস্ট করে ফেরান আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক রোমেরো।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বাঁ প্রান্তে রোহোকে চমৎকার একটি পাস দিয়েছিলেন মেসি। ডি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন হিগুয়েন। কিন্তু রোহোর ক্রস তার মাথার অনেক উপর দিয়ে চলে যায়।

৫৮ মিনিটে আর্জেন্টিনার ভালো একটি আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন স্টেফান ডা ভ্রেই। ৭৫ মিনিটে আবার একটি সুযোগ পান হিগুয়েন। এনসো পেরেসের ক্রসে ডি বক্সের ভেতরে পা লাগাতে পারলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি তিনি।

ইনজুরি টাইমে আর্জেন্টিনাকে ছিটকে পড়ার হাত থেকে বাঁচান হাভিয়ের মাসচেরানো। স্নেইডারের ডিফেন্স চেরা ব্যাক হিল ডি বক্সে ছুটে এসে দখল নেন আরিয়েন রবেন। মাসচেরানো দৌঁড়ে এসে শটে পা ঠেকিয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাঁচিয়ে দেন আর্জেন্টিনাকে।

romero
জয়ের নায়ক রোমেরোর প্রত্যয়ী উল্লাস

১০৫ মিনিটে রদ্রিগেস নেদারল্যান্ডসের খেলোয়াড়দের মাথার ওপর দিয়ে বল বাড়ান পালাসিওকে। সিলেসেনকে একা পেয়েও পরাস্ত করতে পারেননি পলাসিও।

১০৭ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে আবার সুযোগ পান রদ্রিগেস। এবারও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি তিনি।

এরপর শুরু হয় সমতা ভাঙার পালা। রুন ভ্লারের প্রথম শটটি বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন রোমেরো। রোবেনের পরের শটটি ঠেকাতে পারেননি তিনি। স্নেইডারের তৃতীয় শটটি ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। ড্রিক কুইটের পরের শটটি ঠেকাতে ব্যর্থ হন রোমেরা।

আর্জেন্টিনার পক্ষে প্রথম তিন শটে ডাচ গোলরক্ষক সিলেসেনকে পরাস্ত করেন মেসি, গ্যারায় ও আগুয়েরো। রদ্রিগেসের চতুর্থ শট থেকে গোল হতেই দুই যুগ পর ফাইনালে ওঠে ম্যারাডোনার উত্তরসূরীরা।