হলুদ সমুদ্রে শোকের মাতম

0
77
luiz

বেলো হরিজন্তের হলুদ সমুদ্র স্তব্দ হয়ে গেল। স্তব্দ হয়ে গেল পুরো ব্রাজিল। জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের পরাজয়ে স্বপ্ন খুন হল স্বাগতিকদের। জার্সি না থাকলে ব্রাজিলকে এদিন চেনাই যেত না।

germany
ফাইনালে জার্মানি

২৯ মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিলের জালে ৫ গোল। টনি ক্রুস ও শুরলে করেছেন জোড়া গোল, একটি করে গোল মিরোস্লাভ ক্লোসা, টমাস মুলার, সামি খেদিরার। ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন অস্কার। ব্রাজিল রক্ষণে লুইস, মাইকন, মার্সেলো, দান্তেদের মধ্যে ছিল না কোনো সমন্বয়। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডাররাও ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ।

২৩ থেকে ২৯, এই ছয় মিনিটে চার  গোলে দিশেহারা হয়ে যায় সেলেসাওরা। অধিনায়ক সিলভার অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের রক্ষণ নিয়ে রীতিমত ছেলে খেলায় মেতে উঠল জার্মানরা।

প্রথম কর্নারকেই গোলে পরিণত করে মুলার। ১১ মিনিটে ডান দিক থেকে টনি ক্রুসের কর্নার সোজা  মুলারের পায়ে এসে পড়ে। বল জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি মুলার।

২৩ মিনিটে মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড গড়া গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জার্মানি।ডি বক্সের ভেতর থেকে ক্লোসার  প্রথম চেষ্টা ফিরিয়ে দেন জুলিওসিজার।কিন্তু ফিরতি শট আর ফেরাতে পারেননি জুলিও।

মাত্র ২৬ মিনিটে ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। স্টেডিয়ামে থাকা ব্রাজিল সমর্থকরা এসময় নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি। অনেককেই এ সময় কাঁদতে দেখা যায়।

৩২ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করে ফেলেন সামি খেদিরা। ৫০ মিনিটে রামিরেসের শট ফিরিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন নয়ার। ৫১ মিনিটে অস্কার শট জালে পৌঁছায়নি নয়ারের প্রচেষ্টায়।

৫৩ মিনিটে ডি বক্স থেকে পাউলিনিয়োর শট এবং ফিরতি শটও ফেরান নয়ার।

৬৯ মিনিটে গোল করেন শুরলে। ৭৯ মিনিটে ব্রাজিলের জালে আবার বল জড়ান তিনি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে গোল করেন অস্কার। একইসাথে ২০০২’র প্রতিশোধ নিয়ে মারাকানার পথ ধরে জার্মানি। অন্যদিকে হেক্সা মিশন থমকে যায় স্কলারিদের।