সম্পর্কের একঘেয়েমি দূর করার উপায়

0
150
relationship
একঘেয়েমি কাটাতে খুনসুটিতে ব্যস্ত এক দম্পতি- ফাইল ছবি
relationship
একঘেয়েমি কাটাতে খুনসুটিতে ব্যস্ত এক দম্পতি- ফাইল ছবি

সময়ের বিবর্তনে যে কোনো সম্পর্কই এক সময় একঘেয়ে হয়ে ওঠে। তখন আর কিছুই ভালো লাগে না। এমনকি এক সময়ের প্রিয় মানুষটিকেও আর দেখতে ইচ্ছা করে না। জীবন তখন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।

জীবনে সম্পর্কের একঘেয়েমি আসবেই। তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। একঘেয়েমি কাটাতে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। দেখবেন, জীবনে আবারও ফিরে আসবে আগের সেই রোমাঞ্চ। দুর্দিনের কালো মেঘকে সরিয়ে দিয়ে সুদিনের সূর্য উঠবেই।

এক. পুরোনো সুখস্মৃতি মনে করুন:

কর্মব্যস্ত জীবনে সারাদিনের কাজেরমধ্যেও আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটির কথা চিন্তা করুন। পূর্বের সুখস্মৃতির কথা ভাবুন। আপনি আপনার প্রিয়জনকে কেন ভালোবাসেন তা মনে করুন, তাহলে নিঃসন্দেহে একঘেয়েমি কেটে যাবে। মনের গভীরে থাকা স্মৃতিগুলো একটু ঝালিয়ে নিয়ে অনুভব করুন আপনার মানসিকতার পরিবর্তন।

দুই. সপ্তাহে একদিন বাইরে ঘুরতে যান:

একসঙ্গে সময় কাটানোর প্রয়োজনীয়তা কখনোই ফুরায় না। এ জন্য প্রতি সপ্তাহে একবার অন্তত আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে সময় কাটান। এ সময়ে একে অন্যের প্রতি গুরুত্ব দিন। সম্পর্ক মাত্র ১৫ দিন কিংবা ১৫ বছরেরই হোক না কেন, একসঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্ব কখনোই কমে না।

তিন. মজা করুন:

দৈনন্দিন জীবনে রুটিন মাফিক চলতে গিয়ে জীবনটাই এক সময় যান্ত্রিক হয়ে পড়ে। তখন আমরা আনন্দ, তামাশা ও মজা করতে ভুলে যাই। কিন্তু সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে এগুলো খুবই জরুরী।

চার. নিজের দিকে মনোযোগ দিন:

আপনার প্রিয় মানুষটির জন্য কী করতে পারছেন, কী করলে তিনি সুখী হচ্ছেন ও কেন আপনাকে বেশি ভালোবাসছেন, তা গভীরভাবে লক্ষ্য করুন। এতে দুজনের সম্পর্কে একটা নতুন মাত্রা তৈরি হবে।

পাঁচ. আগ্রহের চর্চা করুন:

যে কোনো সম্পর্কে জড়ালেও নিজের আগ্রহ নিয়ে চর্চা করুন। এতে করে কোনো সময়ই আপনি একাকিত্ব বোধ করবেন না। আর সম্পর্কের একঘেয়েমিও কেটে যাবে।

ছয়. পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন:

প্রত্যেক সম্পর্কতেই উত্থান-পতনের একটি চক্র থাকে। এ চক্র অনুযায়ী কখনো সময় ভালো যাবে, কখনো খারাপ। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। বরং এ সময় পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন।

সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে উপরোক্ত উপায়গুলোর বিকল্প নেই। তাই বাস্তব জীবনে এগুলো অনুসরণ করুন, জীবনে সুখী হোন।

এএসএ/