খেজুর না চেনায় ঠকছেন ক্রেতারা

0
132
খেজুর
খেজুর
date
খেজুর (ফাইল ছবি)

খেজুর রোজাদারদের ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গ। রমজান আসলেই খেজুরের চাহিদা বাড়ে। তবে এবারের রমজানে রাজধানীতে ফরমালিন আতঙ্কে চাহিদা কিছুটা কম হলেও খুচরা বাজারে খেজুরের দাম বেশ চড়া।

এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক দোকানের দামের সাথে অন্য দোকানের মিল নেই। খুচরা দোকানিরা যে যার মতো দাম রাখছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতারা নিয়মিত খেজুর না কেনায় আসল পণ্য চিনতে পারেন না। এর সুযোগ নিচ্ছেন কিছু অসাধু বিক্রেতা।

মঙ্গলবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম, মতিঝিল, মালিবাগসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মদিনা মরিয়ম ১ নং খেজুর ১১০০-১৬০০ টাকা, মদিনা মরিয়ম ২ নং  ৪০০-৫০০ টাকা, আলজেরিয়া ৫৫০-৬৫০ টাকা, তিউনিসিয়া ৬০০-৬৫০ টাকা, নাগাল ১ নং ৩৫০-৪০০ টাকা, নাগাল ২ নং ২০০-২৫০ টাকা, বরই ২০০-৩০০ টাকা, ফরিদা ১ নং ২৫০-৩৫০ টাকা, ফরিদা ২ নং ১৮০-২০০ টাকা, দাবাস ১৮০-২৫০ টাকা, ইরাকি জাহেদি ১২০-১৫০ টাকা ও আল মদিনা আধা কেজি প্যাকেট ১২০-১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে খেজুর কিনে ক্রেতা আবদুল কুদ্দুস বলেন, খেজুর দাম বেশ চড়া। রমাজানের আগে আমি মরিয়ম খেজুর ৮০০ টাকা কিনেছিলাম। কিন্তু আজ ১১০০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। মাত্র কয়েক দিনে কেজিতে ৩০০ টাকা দাম বাড়লো এটা মেনে নেওয়া যায় না।

আসলাম  নামের  আরেক ক্রেতা বলেন, ইফতারে খেজুর রাখতে হচ্ছে তাই বাজারে আসা। তবে খেজুরর দাম বেশ চড়া। চড়া দামে কিনলেও ফরমালিনের আতঙ্ক থেকে যাচ্ছে। তারপরও পরিবারের জন্য আতঙ্ক নিয়ে কিনতে হচ্ছে।

দাম বাড়ার অভিযোগ স্বীকার করলেও এ জন্য পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন খুচরা বিক্রেতারা।

মো. মোসলেম আলী নামের এক বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারে দাম বাড়েছে। আমরা পাইকারি আমরা যে দাম কিনে আনি তা থেকে সামান্য লাভে বিক্রি করছি। এখানে বেশি দাম রাখার কোনো প্রশ্ন আসে না।

স্থানভেদে দামের তারতম্য কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসলে বাজারে অনেক প্রকার খেজুর আছে। ক্রেতারা নিয়মিত খেজুর না কেনায় আসল পণ্য চিনতে পারে না। ফলে কিছু দোকানি নিম্নমানের খেজুরকে ভালো মানের পণ্য বলে বিক্রি করেন।