সমুদ্রসীমার রায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

0
63
sea-boundery
বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা- ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় সোমবার সরকারের কাছে এসে পৌঁছেছে। এ রায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রায়ের ব্যাপারে আগামীকাল গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে।’

সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিসি আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন) এ রায় সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পক্ষকে জানিয়েছে।

তবে ওই আদালতের বিধি অনুযায়ী তা ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো পক্ষ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে পারবে না। তাই মঙ্গলবারের আগে এ রায়ের ব্যাপারে জানা যাবে না।

আদালতের কার্যবিধি অনুযায়ী, গত জুন মাসে রায় ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু তা বিলম্বিত হয়।

নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হেগে অবস্থিত স্থায়ী সালিসি আদালতে ২০১৩ সালের ৯ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সমুদ্রসীমা নির্ধারণের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভারত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।

শুনানি শেষে আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, কার্যবিধির ১৫ ধারা অনুযায়ী, ছয় মাস পর এই দুই নিকট প্রতিবেশীর সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় দেওয়া হবে।

তিন দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনার পর মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর সালিসি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

এর আগে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ জার্মানির হামবুর্গভিত্তিক সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ইটলস) মামলা করে। ২০১২ সালে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেন আদালত।