জাইকার তহবিলে যোগ হলো নতুন ৭টি প্রতিষ্ঠান

jaikaবাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় জাইকা (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এজেন্সি) তহবিল থেকে ঋণ নিতে নতুন করে সাতটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ফলে চুক্তিবদ্ধ ৪টি ব্যাংক ও ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকশের জন্য ঋণ নিতে পারবে।

সোমবার দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কনফারেন্স হলে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিপত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুকোমল সিংহ চৌধুরী এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে তাদের প্রধান নির্বাহীরা স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই বিভাগের নির্বাহী পরিচালক এ.এইচ.এম কায়-খসরু উপস্থিত ছিলেন।

নতুন যোগ হওয়া ৪টি ব্যাংক হলো-ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ও উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড। আর ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো- আইপিডিএস, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও ন্যাশনাল ফিন্যান্স লিমিটেড।

এর আগে ২০১২ সালের ১১ জুন এ তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে ৩৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে ছিলো ২১ ব্যাংক ও ১৮ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

দেশের উৎপাদনশীলতার উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অবদান নিশ্চিত করতে ২০১১ সালের মে মাসে বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী জাপান সরকার বাংলাদেশের এসএমই খাতে মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ দিতে ৫০০ কোটি ইয়েনের একটি তহবিল গঠন করে।

কিছু শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শর্তগুলো হলো প্রতিষ্ঠানগুলোর কমপক্ষে তিন বছর ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞাতা থাকতে হবে। এসএমই ঋণ পরিচালনার অভিজ্ঞাতা থাকতে হবে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না এবং ক্যাপিটাল এডিকিউসি রেশিও অবশ্যই ১০ শতাংশের বেশি হতে হবে।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে অর্থ ছাড় শুরু হয়। তহবিল থেকে ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬৪ টি প্রতিষ্ঠানকে ১২৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সর্বমোট ৪৩৯ জন ব্যাংক কর্মকর্তা এবং ৫০০ জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

এসএই/এআর