সুকৌশলে চিকিৎসা খাতকে মেধাশূন্য করা হয়েছে: ড্যাব নেতারা

DAB-sm20130831080213দেশের চিকিৎসাসেবাকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষক, চিকিৎসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করে চিকিৎসাখাতকে মেধাশূন্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন ড্যাবের নেতারা।

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চাকরিচ্যুত শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ অভিযোগ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমাদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এটা কোনো সুশীল সমাজের কাজ নয়। আমাদের কাজের ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও কেন অব্যাহতি দেওয়া হলো এর জবাব চাই।

 

এ সময় তারা ২২ডিসেম্বরকে বিএসএমএমইউর ইতিহাসে কালো দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী অভিযোগ তুলে বলেন, দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বিএসএমএমইউ (পিজি) ২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর নিয়ম বহির্ভূভাবে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধনে কালো দিবস সম্পর্কে গাজী বলেন, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দিন, নিয়ম বহির্ভূত চাকরি থেকে অব্যাহতির দিনসহ আরও অনেক দিন রয়েছে যা কালোদিবস হিসেবে আখ্যায়িত হয়ে আছে। এ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন ক্রমশই কালোদিবসের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, ‘আপনার ক্ষমতার সমাপ্তি ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গেছে। খুব শিগগিরই আপনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হবে। তখন দেশ ছেড়ে পালানো ছাড়া আপনার আর কোনো উপায় থাকবে না।’
‘মানুষ সুস্থ থাকুক এ সরকার তা চায় না এমন অভিযোগ করে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহম্মেদ বলেন, আর এ জন্যই চিকিৎসকদেরকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।’

সবশেষে বক্তারা অব্যাহতি পাওয়া সবার চাকরিতে পুন:বহালের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, ড্যাবের সহসভাপতি অধ্যাপক আবদুস ছালাম, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক সৈয়দ আকরাম হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ড. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ।

জেইউ/ এআর