দিনাজপুর হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট

0
100
dinajpur
দিনাজপুর মানচিত্র
dinajpur
দিনাজপুর-মানচিত্র

দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে কুকুর-বিড়াল কামড়ের (জলাত্বংক রোগের) ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় সাধারণ অসহায় গরীব মানুষ বিপাকে পড়েছে।

হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট থাকায় রোগীরা বাইর থেকে ভ্যাকসিন কিনে আনলে কর্তৃপক্ষ তা দিয়ে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় এমন এক মিথ্যা অভিযোগে দেওয়ার প্রতিবাদে রোগীদের কিনে আনা ভ্যাকসিনও দেওয়া বন্ধ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, গত কয়েক মাস থেকে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে কুকুর-বিড়াল কামড়ের (জলাত্বংক রোগের) ভ্যাকসিন প্রতি মাসে বরাদ্দ আসছে মাত্র ৫০ পিস। যেখানে প্রতিদিন গড়ে রোগী আসে ৭০-৮০ জন। সরকার যে বরাদ্দ দেয় তা একদিনের রোগীর জন্যও হয় না।

এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার ১০ জুন শহরের রামনগর এলাকার বেলাল উদ্দিন নামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বাইর থেকে ক্রয় করা প্রতি ভ্যাকসিন থেকে ২০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করছে নার্সরা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৪ জুন থেকে বাহির থেকে আনা সকল ভ্যাকসিন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এতে সাধারণ রোগীরা পড়ে চরম দুর্ভোগে। তবে সরকারি ভ্যাকসিন প্রাপ্তদের কোর্স পূরণ করার জন্য নির্দিষ্ট রোগীদের ভ্যাকসিন দিয়ে দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে ভ্যাকসিন দিতে আসা জেলার পার্বতীপুর উপজেলার আমবাড়ী এলাকার কারিমুল ইসলাম জানান, আমার ছেলেকে গত ১ জুন কুকুর কামড় দিয়েছে। আমি পরদিন তাকে জেনারেল হাসপাতালে আসি। কর্তব্যরত নার্স আমাকে জানান, এখানে সরকারি যে ভ্যাকসিন বরাদ্দ রয়েছে তা শেষ হয়ে গেছে তাই বাইর থেকে নিয়ে আসেন আমরা দিয়ে দিবো।

ভ্যাকসিন দেওয়া বন্ধের ব্যাপারে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জানান, একজন নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো শুধু মাত্র মানুষের সুবিধার্থে। কারণ সরকারি ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকলেও তাদের কিনে আনা ভ্যাকসিনটা অন্তত পক্ষে দেওয়ার ব্যবস্থাটা যেন থাকে। কিন্তু এমন মিথ্যা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও জানান, সরকারি ভাবে মাসে মাত্র ৫০টি ভ্যাকসিন বরাদ্দ পেয়ে থাকি যা একদিনের রোগীর জন্যও কম।

সাকি/