রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২০
Home ভ্রমণ ভ্রমণ হতে পারে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিলে

ভ্রমণ হতে পারে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিলে

ভ্রমণ হতে পারে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিলে

am3ভ্রমণ সম্পর্কিত তথ্য যতই আসুক পাঠকদের মন আকৃষ্ট করা সম্ভব হচ্ছে না চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। হরতাল অবরোধ ও নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতায়  দেশের দূরে কোথাও যাওয়া অসম্ভব হলেও রাজধানীবাসীর জন্য ভ্রমণের কিছুটা সুযোগ আছে। ঢাকার ভিতরে কিছু ঐতিহ্য বহনকারি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম স্থান দখল করে রেখেছে নওয়াব সলিমুল্লার আহসান মঞ্জিল।

ঊনিশ শতকে ঢাকার নওয়াব পরিবারের আবাসস্থল ছিলো আহসান মঞ্জিল। মোঘল আমলে এটি বরিশালের জামিনদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙমহল ছিলো। এরপর ফরাসী বাণ্যিজ্যিক কোম্পানির কেন্দ্র । ১৮৩০ সালে নওয়াব খাজা আলিমুল্লাহ ফরাসীদের কাছ থেকে মহলটি কিনে নেন ও নিজের বসবাসের জন্য পুর্ননির্মাণ করেন।

মূল আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে । শেষ হয় ১৮৭২ সালে। আবদুল গনি তার পুত্র নওয়াব খাজা আহসানউল্লাহর নামে প্রাসাদটির নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল। ১৮৮৮ সালে টর্নেডো আর ১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে আহসান মঞ্জিলের মূল ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। নওয়াব আহসানউল্লাহ ভবনটির সংস্কার করেন।

am5ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও নিখিল ভারত মুসলিম লীগের কার্যক্রমের সাক্ষী হচ্ছে আহসান মঞ্জিল। তখন নওয়াব ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ।

১৯৫২ সালে ঢাকার নওয়াবদের সম্পত্তি ইস্ট বেঙ্গল এস্টেট একুইজেশন অ্যাক্টের আওতায় চলে যায়। নওয়াবদের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলে তারা ভবন ছেড়ে দেন। নওয়াব খাজা হাবিবুল্লাহ হলেন শেষ নওয়াব যিনি এ ভবনটিতে বসবাস করেছিলেন।

১৯৯২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নিয়ন্ত্রনাধীন হয় এবং এখানে জাদুঘর স্থাপন করা হয়।

এর পর থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে। এর টিকেট মূল্য পাঁচ টাকা।

সাকি/