উৎপাদিত বিদ্যুতের ২৭ শতাংশই নষ্ট হয়

0
131
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
“জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অ্যাক্রেডিটেশনের ভূমিকা ” শীর্ষক সেমিনারে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
“জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অ্যাক্রেডিটেশনের ভূমিকা ” শীর্ষক সেমিনারে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

দেশের উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের ২৭ শতাংশই উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে নষ্ট হয় বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। সোমবার বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে শক্তি তথ্য প্রশাসনের বরাত দিয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

“জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অ্যাক্রেডিটেশনের ভূমিকা ” শীর্ষক সেমিনারটি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।

ডিসিসিআই মিলনায়তনের ওই সেমিনারে মন্ত্রী তার বক্তব্যে এই বিপুল পরিমাণ শক্তির অপচয় রোধে প্রি-পেইড মিটার ব্যাবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, বর্তমানে বিশ্বে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ শক্তির ৩৭ শতাংশ শিল্পখাতে, ২০ শতাংশ ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক পরিবহনখাতে, ১১ শতাংশ গৃহস্থালিতে ও ৫ শতাংশ বাণিজ্যসহ মোট ৭৩ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি ২৭ শতাংশ সঞ্চালন ও উৎপাদনের সময় সিস্টেম লস হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ শক্তি পরিমাপের জন্য বাসা-বাড়ি, ব্যবসা পতিষ্ঠান, শিল্প কারখানা, অফিস আদালত, হাসপাতালসহ সকল স্থানে স্মার্ট এনার্জি মিটার ব্যবহার করা প্রযোজন। এটি ব্যবহার করলে সিস্টেম লস কমে আসবে।

তিনি বলেন, এক সময় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। এখন তা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াটে। তারপরও চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। এ জন্য বিকল্প জ্বালানির উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন জরুরি।

বিএবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প সচিব মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আব্দুল্লাহ, ডিসিসিআই’র সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, বিএবি’র মহাপরিচালক মো. আবু আবদুল্লাহসহ ডিসিসিআই।

সেমিনারে বিএবি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জিইউ