বস্ত্র খাতে ৫০ ভাগ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে

0
82

Color_fabricsপুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো সর্বশেষ প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভাল মুনাফা করেছে। আলোচিত প্রান্তিকে ৫০ শতাংশ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। এ খাতে ৩০ টি কোম্পানির মধ্যে ১৫ টির মুনাফা বেড়েছে, কমেছে ১২ টির। একটি কোম্পানি লোকসানে গিয়েছে। এছাড়া  আগে থেকেই লোকসানে থাকা ২ টি কোম্পানির লোকসান আরও বেড়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোম্পানিগুলোর আর্থিক  প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোনর সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। এক্ষেত্রে কোন কোম্পানির প্রথম প্রান্তিক ধরা হয়েছে। আবার কোনো কোনোটার দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রান্তিক ধরা হযেছে।

 

বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বশেষ প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে ১৫ টি কোম্পানির। সবচেয়ে বেশি মুনাফা বেড়েছে ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের। এই কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৬৩৩ শতাংশ। শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ৩ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২২ পয়সা। মেট্রো স্পিনিংয়ের ইপিএস ৩৬৬ শতাংশ বেড়ে ৬ পয়সা থেকে ২৮ পয়সা হয়েছে। জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন রিমিটেডের ইপিএস ১৩০ শতাংশ বেড়ে ৩০ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা হয়েছে। আর. এন. স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ইপিএস ১১৯ শতাংশ বেড়ে ৭৮ পয়সা থেকে ১ টাকা ৭১ পয়সা হয়েছে। ফ্যামিলি টেক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের ইপিএস ১০৪ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ২২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৯ পয়সা হয়েছে।

 

মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ইপিএস ৮০ শতাংশ বেড়ে ৩৬ পয়সা থেকে ৬৫ পয়সা হয়েছে। এইচ আর টেক্সটাইলের ইপিএস ৭৩ শতাংশ বেড়ে ৩০ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা হয়েছে। তাল্লু স্পিনিংয়ের ইপিএস ৬১ শতাংশ বেড়ে ৬৩ পয়সা থেকে ১ টাকা ২ পয়সা হয়েছে। আলহাজ টেক্সটাইলের ইপিএস ৪২ শতাংশ বেড়ে ৬৮ পয়সা থেকে ৯৭ পয়সা হয়েছে। সাফকো স্পিনিংসের ইপিএস ৪১ শতাংশ বেড়ে ২৪ পয়সা থেকে ৩৪ পয়সা হয়েছে। দেশ গার্মেন্টসের ইপিএস ৩৬ শতাংশ বেড়ে ১১ পয়সা থেকে ১৫ পয়সা হয়েছে। অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড মিলস লিমিটেডের ইপিএস ১৭ শতাংশ বেড়ে ৭০ পয়সা থেকে ৮২ পয়সা হয়েছে। স্কয়ার টেক্সটাইলের ইপিএস ১৪ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ২১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা হয়েছে। প্রাইম টেক্সটাইলের ইপিএস ৮ শতাংশ বেড়ে ২৫ পয়সা থেকে ২৭ পয়সা হয়েছে। স্টাইলক্রাপ্ট লিমিটেডের ইপিএস ৭ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৬৪ পয়সা হয়েছে।

 

অন্যদিকে মুনাফা কমেছে ১২ টি কোম্পানির। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে আনলিমা ইয়ার্ন ডাইয়িং লিমিটেডের। এর শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ৭০ শতাংশ কমে ৩১ পয়সা থেকে ৯ পয়সা হয়েছে। ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ইপিএস ৪৮ শতাংশ কমে ৬০ পয়সা থেকে ৩১ পয়সা হয়েছে। মিথুন নিটিংয়ের ইপিএস ৩৯ শতাংশ কমে ৮৯ পয়সা থেকে ৫৪ পয়সা হয়েছে। জাহিন টেক্সটাইলের ইপিএস ৩৮ শতাংশ কমে ৬২ পয়সা থেকে ৩৮ পয়সা হয়েছে। ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেডের ইপিএস ২৯ শতাংশ কমে ৪১ পয়সা থেকে ২৯ পয়সা হয়েছে।

 

মডার্ন ডাইংয়ের ইপিএস ২৩ শতাংশ কমে ৪৭ পয়সা থেকে ৩৬ পয়সা হয়েছে। রহিম টেক্সটাইলের ইপিএস ১৪ শতাংশ কমে ৫৬ পয়সা থেকে ৪৮ পয়সা হয়েছে। সিএমসি কামালের ইপিএস ১৩ শতাংশ কমে ৩৭ পয়সা থেকে ৩২ পয়সা হয়েছে। আর্গন ডেনিমস লিমিটেডের ইপিএস ১১ শতাংশ কমে ১ টাকা ৩  পয়সা থেকে ৯১ পয়সা হয়েছে। এনভয় টেক্সটাইলের ইপিএস ১০ শতাংশ কমে ৯৭ পয়সা থেকে ৮৭ পয়সা হয়েছে এবং সায়হাম কটন এবং সায়হাম টেক্সটাইলের ইপিএস ৯ শতাংশ কমে ৬২ পয়সা থেকে ৫৬ পয়সা হয়েছে।

 

লোকসানে তাকা ২ টি কোম্পানির লোকসান আরও বেড়েছে। এর মধ্যে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসান ৫৫০ শতাংশ বেড়ে ইপিএস ৬ পয়সা থেকে ৩৯ পয়সা হয়েছে। দুলামিয়া কটনের লোকসান ২২ শতাংশ বেড়ে ইপিএস ৮০ পয়সা থেকে ৯৮ পয়সা হযেছে।

 

বাকী একটি নতুন করে লোকসান করেছে। সোনারগাঁ টেক্সটাইলস সর্বশেষ প্রান্তিকে লোকসান করেছে ১৩ পয়সা। কোম্পানিটি আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৬ পয়সা।

 

এমআরবি/