সিনহা হত্যা: পঞ্চম দফার শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে 

মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার পঞ্চম দফার শেষ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় শেষ দিনে ৩২ তম সাক্ষী লে. কর্নেল মো. ইমরান হাসানকে দিয়ে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে  রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম বলেন, সিনহা হত্যা মামলায় পঞ্চম দফায় ৩২ নম্বর সাক্ষী লে. কর্নেল মো. ইমরান হাসানের মধ্যদিয়ে আজকের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। অন্য সাক্ষীরা হলেন এএসআই নজরুল, এসআই মো. সোহেল সিকদার, সৈনিক হিরা মিয়া, মো. শহীদ উদ্দীন, মো. নবী হোসেন, মো. আবুল কালাম, এলএস আবু সালাম, কনেস্টবল শুভ পাল।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় র‍্যাবকে। ঘটনার ছয় দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ সাত পুলিশ সদস্য আত্মসমপর্ণ করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করে। পরে র‍্যাব পুলিশের দায়ের মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) এর তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। এরপর গ্রেপতার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে। সর্বশেষ গত ২৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষী করা হয় ৮৩ জনকে।

 

অর্থসূচক/এএইচআর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •