ঘুষ দিয়ে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে কাতার

0
85
qatar world cup
ফাইল ছবি
qatar world cup
ফাইল ছবি

আগামি ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনে অনুমতি পেতে ফিফার কর্মকর্তাদের ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ঘুষ দিয়েছে কাতার। আয়োজক দেশ নির্ধারণে ২০১০ সালে অনুষ্টিত এক ভোটে জয় লাভের উদ্দেশ্য এই ঘুষ প্রদান করেছে কাতার। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সানডে টাইমস জানিয়েছে, ফিফার সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বিন হাম্মাম নিজ দেশ কাতারের পক্ষে সমর্থন পেতে এই ঘুষ প্রদান করেছেন। এই সম্পর্কে কয়েক লাখ গোপন মেইল, চিঠি ও অর্থ ট্রান্সফারের নথি সংগ্রহ করার ঘোষণাও দিয়েছে সানডে টাইমস।

২০১০ সালে জুরিখে অনুষ্ঠিত এক ভোটে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে হারিয়ে ২২তম বিশ্বকাপ আয়োজনের অনুমতি পায় কাতার।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বকাপ আয়োজক নির্বাচনে এই কর্মকর্তাদের ভোটাধিকার না থাকলেও ভোট প্রভাবিত করতে তিনি এই ঘুষ প্রদান করেন।

সানডে টাইমস জানিয়েছে, নথিতে দেখা গেছে ওশেনিয়া মহাদেশ থেকে নির্বাচিত ফিফার কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য রেইনাল্ড তিমিরিকে আইনী ব্যয় মেটাতে আড়াই লাখ ইউরো প্রদান করেছেন হাম্মাম। বাজিকর থেকে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে ফিফা থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার প্রতিবাদে এই আবেদন দায়ের করেছিলেন তাহিতির নাগরিক তিমিরি।

সানডে টাইমসের দাবি, ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে কাতারকে ভোট দিতে তিমিরিকে এই ঘুষ প্রদান করেছিলেন হাম্মাম।

কাতার অবশ্য বিশ্বকাপ আয়োজনে ঘুষ প্রদানে অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির দাবি, হাম্মাম স্বপ্রণেদিতভাবেই কাতারের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে ছিলেন।

উল্লেখ্য, এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হাম্মাম ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উদ্দেশ্য ২০১১ সালে পদত্যাগ করেন। ভোট প্রভাবিত করতে ঘুষ প্রদানের অভিযোগে ওই বছরই ঘুষ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন তিনি।

ফিফা অবশ্য ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনে সমর্থন পেতে ঘুষ প্রদানের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাতারে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠান প্রত্যাহার করতে পারে ফিফা।