যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনে ট্রেডমার্ক সনদ পেয়েছে ওয়ালটন

0
696
 শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার কাছ থেকে ট্রেডমার্ক সনদপত্র নিচ্ছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ।

যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ট্রেডমার্ক সনদ পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ‘ক্লাশ ১২’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে ওই সনদ দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) অফিসার্স ক্লাবে মুজিব বর্ষ ও বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হাতে ট্রেডমার্ক সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।

‘জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধাসম্পদ’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিলো পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম এবং সানোয়ার হোসেন, ডিপিডিটি’র রেজিস্ট্রার আবদুস সাত্তার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ। সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শরীফ হারুনুর রশীদ এবং জাহিদুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সনদপত্র পাওয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের নামে মোটরসাইকেল, সড়কযান যেমন যাত্রীবাহী গাড়ি, ট্রাক, বাস ট্রেইলার, ট্রাক্টর, ভ্যান, স্পোর্টস কার, অমনিবাস, ট্রলার, ইয়ট ইত্যাদির যন্ত্রাংশ, ইঞ্জিন, বডি ও চাকা, আকাশ ও নৌযান, বাইসাইকেল, ইলেকট্রিক বাইসাইকেল, ট্রাইসাইকেল ইত্যাদি পণ্য ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও বাজারজাত করা যাবে।

অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিপিডিটি ওয়ালটনকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো বলেই আজ এটি বাংলাদেশের পাইওনিয়ার ব্র্যান্ড। রেফ্রিজারেটর পণ্যে ৭৫ শতাংশেরও বেশি মার্কেট শেয়ার নিয়ে ওয়ালটন এখন শীর্ষে। ৪০টিরও বেশি দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির পাশাপাশি দেশের মেধা যাতে দেশের কাজে লাগে তার উদ্যেগ নিয়েছে ওয়ালটন। দেশের মেধাবী প্রকৌশলীদের গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে ওয়ালটন যৌথ উদ্যেগে কাজ করছে। ওয়ালটন হবে দেশীয় প্রকৌশলীদের গবেষণাগার। এর ফলে ব্রেইন ড্রেইন বন্ধ হবে।

দেশের মেধা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিল্পের বিকাশে ওয়ালটনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের জন্য শিল্পমন্ত্রী এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। এজন্য তারা ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।