বিচ্ছেদের বৈধতা চান কারিশমা

0
172
karishma_kapoor
কারিশমা কাপুর- ফাইল ছবি
karishma_kapoor
কারিশমা কাপুর- ফাইল ছবি

বিচ্ছেদ তাদের ছিলই। ২০১২ থেকে বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন। ভিন্ন ছাদের নিচে কারিশমা ও সঞ্জয় কাপুর। তবে আইনগতভাবে তখনও তারা ছিলেন পরস্পর সম্পর্কিত। ছিল স্বামী-স্ত্রীর তকমা। কিন্তু এবার এরও অবসান হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ বেছে নিয়েছেন তারা। আদালতের কাছে চেয়েছেন বিচ্ছেদের বৈধতা।

বিচ্ছেদের পথে বড় বাধা ছিল সন্তানদের কাছে রাখা নিয়ে বিরোধ। দু’জনই চাইছিলেন সন্তানরা নিজের কাছে থাকুক। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। মামলা-পাল্টা মামলায় নিজ নিজ অধিকার আদায়ের চেষ্টা করেছেন কারিশমা দম্পতি।

তবে এবার সেখান থেকে সরে এসেছেন তারা। দু’জনই সম্মত হয়েছেন, এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই মেনে নেবেন। আর তারপরই মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পারিবারিক আদালতে পিটিশনও দায়ের করেন সঞ্জয়। ওই পিটিশনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তিন ঘণ্টার দীর্ঘ শুনানি হয়। এ শুনানীতে কারিশমা উপস্থিত ছিলেন।

এতোক্ষণে পাঠক হয়তো ভাবছেন, তাহলে সামাইরা ও কিয়ানের কি হবে! কে বা তাদের দায়িত্ব নিবেন। এমন প্রশ্নের জবারও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জীবনের কান্নায় বারবার জর্জরিত কাপুরকন্যা। তিনি সন্তানদেরকে বাবার কাছে রাখতেই অনুমতি দিয়েছেন।

শুক্রবার এই দম্পতির এক ঘনিষ্ট বন্ধু জানিয়েছেন, আগেই ছাড়াছাড়ির জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তারা। কিন্তু বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। এখন তারা উভয়ই তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। ফলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর কোনো ঘরচুপি বা গৃহ লড়াই নয়। সিদ্ধান্ত এবার পাক্কা ছাড়াছাড়ি।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে বিগ বি পুত্র জুনিয়র বচ্চনের সাথে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা থাকলেও তা না হওয়ায় ২০০৩ সালে দিল্লির ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে সেরে ফেলেন কাপুর। কিন্তু মাত্র বছর কয়েক পরেই কারিশমা বুঝতে পারেন, কত বড় ভুল করে ফেলেছেন তিনি। আর তখন থেকে সম্পর্কের টানাপোড়ন নিয়ে গুজব উঠতে থাকে তাদের বিরুদ্ধে। কখনো বা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত, কখনো বা সন্তানদের নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সঞ্জয়ের সঙ্গে কারিশমার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। আর তখন থেকেই তিনি তার মুম্বাইয়ে মা ববিতার কাছেই আছেন। সে বছরই ‘ডেঞ্জারাস ইশক’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে ফিরে আসেন ৩৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও মিরর।

এস রহমান/