সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: সংশোধনে কমেছে সূচক ও বাজারমূলধন

টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো মূল্য সংশোধন হয়েছে পুঁজিবাজারে। তাতে গত সপ্তাহেও বাজারে বেশিরভাগ শেয়ারের মূল্য ও সূচক কমেছে। একই সাথে কমেছে লেনদেন।

আগের সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজারমূলধনে নতুন রেকর্ডের পর একটু থিতু হয়েছে বাজার। সর্বশেষ সপ্তাহে বাজারমূলধন সামান্য কমেছে। একইসাথে কমেছে মূল্যসূচক ও লেনদেন।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ১১১ দশমিক ৮২ পয়েন্ট কমেছে। আগের সপ্তাহে তা  ৭৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমেছিল। সপ্তাহের শুরুতে এই সূচকের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৮৩৬ দশমিক ১৮ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা ৫ হাজার ৭২৪ দশমিক ২৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

গত সপ্তাহে বাজারমূলধনে শীর্ষ ৩০ কোম্পানির মূল্যসূচক ডিএস৩০ আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৭ দশমিক ২৮ পয়েন্ট কমেছে। সূচকটি আগের সপ্তাহে ২৮ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট কমেছিল।

প্রফিটটেকিংয়ের কারণে গত সপ্তাহে বাজারে বিক্রির চাপ ছিল বেশি। এছাড়া মার্জিন ঋণের ১২ শতাংশ সুদহার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জটিলতা, প্রান্তিক শেষে কোম্পানিগুলোর আর্থিক ফলাফল পর্যবেক্ষণের জন্য বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষায় ইত্যাদির প্রভাবে  কমেছে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে ৩৬৫ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫১ টির, কমেছে ২৫৫ টির। আর ৫৯ টির দাম ছিল অপরিবর্তিত।

গত সপ্তাহে বাজারে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন দেখা গেছে লেনদেনে। এ সপ্তাহে ডিএসইতে গড়ে দৈনিক এক হাজার ২০৩ কোটি ২৫ লাখ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগের সপ্তাহেও ছিল এক হাজার ৫৬৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। সপ্তাহে ব্যবধানে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ।