শিরোপা পেতে চট্টগ্রামের দরকার ১৫৬

0
228

ফাইনালে টস ভাগ্য যায়নি জেমকন খুলনার পক্ষে। ব্যাটিংয়ে নেমে তেমন বড় কোন জুটি না গড়তে পারলেও একাই লড়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মাঝে একাই লড়েছেন খুলনা দলপতি। মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৭০ রানে খুলনা পেয়েছে ১৫৫ রানের পুঁজি।

এর আগে প্রতিপক্ষের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে জহুরুল ইসলাম। তিনে নেমে আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে বেশীক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ইমরুল কায়েসও। শিরোপার লড়াইয়ে পাওয়ার প্লে’তে শেষে খুলনার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৪২ রান।

ইনিংসের প্রথম বলেই মিড অফ অঞ্চলে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন জহুরুল। নাহিদুলের বলে তিনি বিদায় নেয়ার পরের দুই ওভারে চাপমুক্ত হতে খানিকটা হাত খুলেই ব্যাট করেছেন জাকির-ইমরুল। তৃতীয় ওভারে আবারও একই চিত্র। এই স্পিনারের বলেই লং অফে ৮ রানে ইমরুল ফেরেন সৌম্যর হাতে ক্যাচ দিয়ে।

জাকির এবং আরিফুল হক মিলে পরের ১৪ বলে যোগ করেন ২১ রান। তবে দলীয় ৪৩ রানে ২৫ রান করা জাকির বিদায় নেন মোসাদ্দেকের ওভারে। ক্রিজে নেমে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এবং আরিফুল যোগ করেন ৪০ রান। তবে দলীয় ১০০’র আগেই ফেরেন আরিফুল। ২১ রানে শরিফুল ইসলামের বলে লিটন দাসের হাতে ধরা পরেন এই ব্যাটসম্যান। ১১৭ রানের সময় শুভাগত হোম ফেরেন শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। প্রথম বলেই রান আউট হন শামিম পাটুয়ারি। শেষ দুই ওভারে ১৫০’র লক্ষ্যেই ব্যাটিং চালিয়ে আয় খুলনা।

মাশরাফি বিন মর্তুজা ৫ রানে মুস্তাফিজের বলে ফিরলেও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। এই ওভারে ৭ রান নিলে শেষ ওভারে সৌম্যর বিপক্ষে খুলনা অধিনায়ক তুলে নেন ১৫ রান। খুলনা পায় ১৫৫ রানের পুঁজি। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে।

 

অর্থসূচক/এএইচআর