ইমন-শরিফুল-আকবরে মুগ্ধ মাহমুদউল্লাহ

0
306

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটারদের ওপর। বড় মঞ্চে নিজেদের প্রস্তুত করার অংশ হিসেবে এই টুর্নামেন্টে খেলেছেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার। যারা ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রমাণও করেছেন।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল বলা যায় পারভেজ হাসান ইমন এবং শরিফুল ইসলামকে। ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলা ইমন গড়েছেন দ্রুত সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড। ৯ ম্যাচ খেলে মোট ২৩৩ রান সংগ্রহ করেছেন। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের সেরা ১০ এ জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের হয়ে নতুন বলে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাঁহাতি পেস বোলার শরিফুল ইসলাম। ৯ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১৪ টি উইকেট। যেটি তাঁকে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহের তালিকার ৪র্থ স্থানে রেখেছে।

এছাড়াও বেক্সিমকো ঢাকার জয়ে অনুর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলি, বরিশালের হয়ে ডানহাঁতি ব্যাটসম্যান তৌহিদ হৃদয়, চট্টগ্রামের হয়ে স্পিনার রকিবুল হাসান ও ডানহাঁতি ব্যাটসম্যান মাহামুদুল হাসান জয়, জেমকন খুলনার হয়ে শামিম হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বোলিং ব্যাটিং ফিল্ডিং দিয়ে অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে পিছনে ফেলেছেন তাঁরা।

ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে অনু্র্ধ্ব-১৯ দলে ক্রিকেটারদের নিয়ে খুলনার অধিনায়ক মাহামুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘সবমিলিয়ে টুর্নামেন্ট আমার মনে হয় যে খুবই ভালো হয়েছে, খুব ভালো ক্রিকেট খেলা হয়েছে। বিশেষ করে আমি মুগ্ধ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে, তারা যেভাবে পারফর্ম করেছে। সাহসী এবং পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করেছে। তাদের বোলিং, ফিল্ডিং সবমিলিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট দুর্দান্ত ছিল। আমার মনে হয় এটা আমাদের সবার জন্যও খুব ভালো একটা প্রতিযোগিতা তৈরি করবে যেটা আমি সবসময় বিশ্বাস করি। আমাদের ক্রিকেটের প্রতিযোগিতা বাড়াতে আমাদের সাহায্য করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় যারা ভালো পারফর্ম করবে তাঁরাই পাইপ লাইনে আসার দাবিদার। আমি যেটা বললাম তাদের যে সাহসী খেলা ছিলো এই টুর্নামেন্টে এটা খুব অনুপ্রেরণামূলক। আমার মনে হয় এই জিনিসটা সবাইকেই খুব উৎসাহ দিয়েছে। যেটা বললাম সুস্থ প্রতিযোগীতা নিয়ে ক্রিকেট যদি আমরা খেলতে পারি তা সবার ক্রিকেটেরে উন্নতির জন্যই প্রভাব ফেলবে।’

 

অর্থসূচক/এএইচআর