তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স

0
546

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বীমা খাতের কোম্পানি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে যাওয়া এই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে সাবস্ক্রিপশন, লটারি ড্র এবং লটারি বিজয়ীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

এখন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তালিকাভুক্তির পর থেকেই পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হবে।

কোম্পানির তথ্য মতে, পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ১০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিও আবেদন চলে। এই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক, ক্ষুদ্র, ক্ষতিগ্রস্ত এবং দেশি ও বিদেশরীরা বিনিয়োগ করেছেন।

তারা ১৬ কোটি টাকার ১ কোটি ৬৯ লাখ শেয়ার পেতে বিনিয়োগকারীরা মোট ৬৬৭ কোটি ২০ লাখ টাকার আবেদন জমা দিয়েছে। যা প্রায় ৪১ দশমিক ৭০ গুন। এর মধ্যে ৫২৫টি যোগ্য অর্থাৎ এলিজেবল ইনভেস্টর আবেদন করেছে। যা টাকার অংকে ৬৭ কোটি ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬৪ লাখ শেয়ার অর্থাৎ ৬ কোটি ৪০ হাজার টাকা অর্থাৎ নতুন প্রজন্মের এই বিমার কোম্পানির লট প্রতি শেয়ার পেতে ১০৪৮ দশমিক ৪৯২ শতাংশ আবেদন বেশি জমা পড়েছে। যা টাকার অংকে সাড়ে ১০ গুণ বেশি। আর বাকি আবেদন জমা পড়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীর। তারা কোম্পানিরটির প্রতিলট শেয়ার পেতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৭৪১তম নিয়মিত সভায় কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৬৯ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়। উত্তোলিত অর্থের ৮ কোটি টাকা এফডিআর, ৬ কোটি ৯২ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ ও ১ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা আইপিও বাবদ খরচ করবে। ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ২০১৯ সালে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৯২ টাকা। আর ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) রয়েছে ২৪ দশমিক ৪২ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

অর্থসূচক/এমআই/এমএস