বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত ছিলেন দেশে স্বাধীনতা আসবেই: শিল্পমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
267

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত ছিলেন দেশে স্বাধীনতা আসবেই। তাই তো তিনি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস ভেবেছিলেন কিভাবে দেশকে পুনর্গঠন করা করা যায়।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন অসাম্প্রদায়িক ও অর্থনৈতিক মুক্তির রাজনীতি করেছেন।

আজ বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পসচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, উন্নত ও ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পায়ন করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনার আলোকে শিল্প মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ইতোমধ্যে এর সুফল আমরা ভোগ করছি। শিল্পমন্ত্রী প্রযুক্তি নির্ভর চিন্তাভাবনা থেকে শিল্পায়ন গড়ে তুলতে মন্ত্রণালয় ও দপ্তর-সংস্থা প্রধানদের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কোনো চিনিকল বন্ধ হবে না এবং চিনিকলের কোনো শ্রমিকও ছাঁটাই হবে না। বরং আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিল্পায়নের মাধ্যমে চিনিকলসমূহকে লাভজনক করতে শিল্প মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত প্রণোদনার কারণে দেশে শিল্পায়নসহ সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের অবকাঠামো নির্মাণ ও বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিত করায় স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরপরই বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানিরা কখনই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকারের স্বীকৃতি দিবেনা। তিনি বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণে এমন কোনো বিষয় ছিল না যেটি নিয়ে বঙ্গবন্ধু নির্দেশনা দেননি। তার প্রজ্ঞাপূর্ণ ভাষণের কারণে বঙ্গবন্ধুকে কেউ বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে আখ্যায়িত করতে পারেনি।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী এসময় বলেন, দুর্নীতিবাজরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিরুদ্ধে ঐকবদ্ধভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনা সভায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শিল্প মন্ত্রণালয়ের চত্বরে স্থাপিত জাতির পিতার ম্যুরাল এবং মন্ত্রণালয়ের লবিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের পক্ষ হতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

অর্থসূচক/এমআই/কেএসআর