বাংলাদেশীর নামে ১ দিনের জন্য ইংল্যান্ডে স্টেডিয়ামের নামকরণ

0
271

শহিদুল আলম রতন, বাংলাদেশের সাবেক উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান। ১৯৮০-৯০ দশকে বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ‘ক্যাপিটেল কিডস দাতব্য সংস্থা’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। শহীদুলের এই দাতব্য সংস্থা ক্রিকেটকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবন পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে।

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের কেনিংটনে অবস্থিত ‘দ্যা কিয়া ওভাল’ ইংল্যান্ড তথা সারা বিশ্বের খুবই মর্যাদাপূর্ণ একটি স্টেডিয়াম। এমনকি এটি যুক্তরাজ্যের প্রথম ও সারা বিশ্বের দ্বিতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। সেই কিয়া ওভালেরই নাম পরিবর্তন করে ২৪ ঘন্টার জন্য ‘কিয়া শহীদুল আলম রতন ওভাল’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। লকডাউনের সময় বাচ্চাদের সক্রিয় রাখতে শহীদুল ইসলামের লন্ডন ক্রিকেট দাতব্য সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ এই সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

লকডাউন চলাকালীন বাচ্চাদের সক্রিয় রাখতে এবং সামাজিকভাবে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য ক্যাপিটাল কিডস ক্রিকেট একটি ডিজিটাল কার্যকলাপ তৈরি করেছিল। শরণার্থীদের মতো দুর্বল বাচ্চাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সেশন চালানো সহ রতন তাদের সমস্ত ক্রিয়াকলাপ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। দাতব্য সংস্থাটি জুমের মাধ্যমে নিয়মিত কুইজ সন্ধ্যা এবং পারিবারিক পরামর্শের ব্যবস্থা করেছিল যাতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে এবং এর সমাধান পেতে পারে।

লকডাউনের সময় বাচ্চাদের নিয়ে এমন কার্যকলাপ পরিচালনা করার স্বীকৃতি স্বরূপ শহীদুল ইসলামের নামে কিয়া ওভালের নামকরণ করা হয়েছিল। এজন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেট ও সারে ক্রিকেট ক্লাবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শহীদুল বলেন, ‘এই সম্মানের সঙ্গে স্বীকৃতি পাওয়া দুর্দান্ত একটি সংবাদ এবং এর অর্থ অনেক বেশি আমার কাছে। এটা সকল দাতব্য সংস্থার আশার আলো হয়ে উঠতে পারে এবং আমার মত মানুষদের জন্য যারা পরিবর্তন প্রত্যাশা করে। এমনকি প্রয়োজন অনুসারে যারা মানুষকে সাহায্য করতে চায়। আমার নামানুসারে দ্যা কিয়া ওভালের মতো মর্যাদাপূর্ণ স্টেডিয়ামের নাম রাখা ক্রিকট বিশ্বে এক বিশাল সম্মানের। কেবল এখানে যুক্তরাজ্যেই নয়। আমি সারে ক্রিকেটকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই।

 

 

অর্থসূচক/এএইচআর