ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটেও জয়ী বাইডেন

0
232

জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রশাসনও সাজাতে শুরু করে দিয়েছেন জো বাইডেন। সোমবার মার্কিন ইলেক্টোরাল কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে বাইডেনের জয় ঘোষণা করে। ইলেক্টোরাল কলেজ জানিয়েছে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। গত ৩ নভেম্বর ভোট গ্রহণের পর নানা নাটকীয়তা শেষে এবার ঘোষিত হল ইলেকটোরাল ভোটের ফলাফল।

যদিও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো একই কথা বলে চলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের কারচুপি হয়েছে। তাঁর কাছে সে প্রমাণ আছে। যদিও এখনো পর্যন্ত তাঁর বক্তব্যের সপক্ষে একটিও প্রমাণ দেখাতে পারেননি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট লাগে। টান টান নির্বাচনে বাইডেন ২৭০টির অনেক বেশি ভোট পেয়েছেন। সর্বশেষ ফলাফলে দেখা গিয়েছিল বাইডেনের ঝুলিতে ৩০৬টি ভোট, ট্রাম্পের ২৩২। কিন্তু তখনো ট্রাম্প বাইডেনের জয় স্বীকার করেননি। ফলে সকলেই অপেক্ষা করে ছিলেন ইলেকটোরাল কলেজের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য। সোমবার মার্কিন ইলেকটোরাল কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়, বাইডেনই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন।

ইলেকটোরাল কলেজ জানালেও ট্রাম্প সোমবারেও কারচুপির অভিযোগ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, মিশিগানে যে কারচুপি হয়েছে তার অপ্রকাশিত রিপোর্ট তাঁর কাছে আছে। যদিও সেই রিপোর্ট তিনি প্রকাশ করেননি। ট্রাম্পের টুইটের সত্যতা পরীক্ষা করা যায়নি বলে জানিয়ে দিয়েছে টুইটার।

এ দিকে জয় ঘোষণার পর মার্কিনীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বাইডেন বলেছেন, এই জয় প্রত্যেক ভোটদাতার জয়। শুধু তাই নয়, মার্কিন গণতান্ত্রিক ভোট ব্যবস্থার জয় বলেও এ দিন জানিয়েছেন বাইডেন। পাশাপাশি ট্রাম্পকে এক হাত নিয়ে তিনি বলেছেন, একজন প্রেসিডেন্ট হয়েও ট্রাম্প যেভাবে মানুষের মতামতকে অস্বীকার করছেন, ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলছেন, তা আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম।

নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেষ্টার কথা উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার প্রয়াস প্রতিহত করেছেন। দেশের ৮ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ তাঁকে ও ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কমলা হ্যারিসকে ভোট দিয়েছেন।

আগামী ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার কথা বাইডেনের। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ট্রাম্প সেই অনুষ্ঠানে থাকবেন না। ওই দিনই ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন তিনি। সূত্র: রয়টার্স, এপি

অর্থসূচক/এএইচআর