এশিয়ার কারখানাগুলোতে করোনা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত

0
133

ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সারা বিশ্বের অর্থনীতিতেই বিরূপ প্রভাব ফেলবে – এমন আশঙ্কা করা হলেও বেসরকারি সংস্থার গবেষণা বলছে, এশিয়ার বেশ কিছু দেশের কলকারখানা বরং নভেম্বরে সংকট কাটিয়ে ওঠার পথে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত রেখেছে৷ গবেষণা প্রতিবেদনে ক্যাপিট্যাল ইকোনমিক্স বলেছে, ‘এশিয়ার রপ্তানিনির্ভর শিল্পে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে চলমান দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা খুব একটা নেই৷’

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের কাইক্সিন/মারকিট পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) অক্টোবরে ছিল ৫৩.৬, নভেম্বরে বেড়ে হয়েছে ৫৪.৯৷ ২০১০ সালেরা নভেম্বর, অর্থাৎ গত দশ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এটি৷

করোনা নিয়ন্ত্রণে এশিয়ার কিছু দেশ ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশ সফল৷ নভেম্বরে এমন দেশগুলোর প্রায় সবগুলোতেই কলকারখানায় পিএমআই বেড়েছে৷ এই তালিকায় চীন আর জাপানের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান এবং ইন্দোনেশিয়াও আছে৷ জাপানে অক্টোবরে পিএমআই ছিল ৪৮.৭, নভেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৪৯.০৷ দক্ষিণ কোরিয়ার আইএইচএস মার্কিট পিএমআই অক্টোবরের ৫১.২ বেড়ে এ মাসে ৫২.৯ হয়েছে৷ ২০১১ সালের পর এই প্রথম সে দেশে পিএমআই এত বাড়লো৷

তবে চীন, জাপান, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়ার কলকারখানায় কর্মচাঞ্চল্য নভেম্বরে বেশ বাড়লেও ভারত-বাংলাদেশে তা হয়নি৷ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল দেশ ভারতে নভেম্বরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রভাব কলকারখানাগুলোতেও পড়েছে৷ এ সময়ে কাজ হারিয়েছেন অনেক কারখানা শ্রমিক৷ সূত্র: ডিডব্লিউ, রয়টার্স

 

অর্থসূচক/এএইচআর