দুই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত বলাৎকার করতেন মাদ্রাসা শিক্ষক

0
344

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার দুই শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) রাতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে ওই শিক্ষককে ময়মনসিংহ আদালতে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ওপর পাশবিকতা চালাতেন ওই শিক্ষক।

গ্রেপ্তার বাকী বিল্লাহ মানিক (৩৫) উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের করফুলেন্নেসা মাদরাসার শিক্ষক। তিনি সহনাটী ইউনিয়নের মানিকরাজ গ্রামের আজিম উদ্দিন মাস্টারের পালিত ছেলে।

ভিকটিম ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই মাদরাসার দুই শিশুকে শিক্ষক মো. বাকী বিল্লাহ মানিক প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পালাক্রমে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন। নিপীড়নের শিকার শিশুদের বয়স ৮ ও ৯ বছর। এ ঘটনায় গৌরীপুর থানায় মামলা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, গত ১৫ নভেম্বর সকালে প্রধান শিক্ষক মানিক মাদ্রাসার পাঠদান কক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের পেছনে নিয়ে নয় বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকার করেন। এরপর আরো কয়েকদফা পাঠদান কক্ষেই ওই ছাত্রকে বলাৎকার করেন তিনি। এ ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্র মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেয়। গত ২৫ নভেম্বর ওই ছাত্রকে তার বাবা বাড়ি থেকে ফের মাদ্রাসায় দিয়ে আসলেও সে বাড়ি ফিরে যায়। তার বাবা বাড়ি ফেরার কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের ঘটনা পরিবারকে জানায়। এঘটনায় নির্যাতিত ছাত্রের বাবা শুক্রবার রাতে গৌরীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওইদিন রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শুধু ওই শিক্ষার্থীই নয়, আারেক শিক্ষার্থীকেও নিয়মিত বলৎকার করতেন শিক্ষক বাকী বিল্লাহ মানিক।

অর্থসূচক/কেএসআর