যেভাবে কমবে পুরুষদের ওজন

0
260

ওজন একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। ওজন বাড়লেও সমস্যা আবার কম থাকলেও সমস্যা।ওজন অনেক বেশি হলে এটা চন্তিার বিষয় আর বিশ্বের সব মানুষই শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। একদিকে শরীরের বাড়তি ওজন নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে, আবার এই দুশ্চিন্তা হতাশার কারন । শরীরের ওজন কমাতে কতোকিছুই না করছে মানুষ। কেউ কঠোর ডায়েট করছে, সেই সঙ্গে শারীরিক কসরতও করছে মানুষ, তাও কিছুতেই কমছে না ওজন।

এছাড়া ওজন কমাতে কিছু উপায় মানতে হবে। বিশেষ করে পুরুষদের। পুরুষদের ওজন কমানো নারীদের থেকে ইকটু বেশি কঠিন। কারন নারীরা ঘরে থেকে সময়মতো খাওয়া, ঘুম কিংবা শরীরচর্চা করতে পারলেও পুরুষের জন্য তা একটু ঝামেলার।

শরীরের ওজন একবার বাড়তে শুরু করলে তা কমানো সহজ কাজ নয়। এজন্য শুরুতেই পূর্বপরিকল্পনা করতে হবে, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আনতে হবে মাধুর্য। রুটিনমাফিক চলার চেষ্টা করতে হবে। এছাড়াও খাবার দাবারে সচেতন হতে হবে। বাহিরের খাবার ফাস্টফুড বা ভাজাপোড়া একেবারেই খাওয়া যাবে না। অ্যালকোহল এবং জাঙ্ক ফুড বাদ দিন। ভাজাভুজির পরিবর্তে সাধারণ চিপস, পপকর্ন, কেক, ক্যাল চিপস, বাদাম এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাবার খান। পুরুষরা কীভাবে খুব সহজে ওজন কমাতে পারবে তা দেখে নেওয়া যাক-

কাজের ফাঁকে হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। ব্যস্ত জীবনে শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় নাও মিলতে পারে। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটুন। অফিসে লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার শুরু করতে পারেন।

অযথা সময় নষ্ট না করে, আড্ডা বা ফেসবুক না টিপে সেই সময়কে কাজে লাগাতে পারেন বন্ধুদের সঙ্গে দৌড় বা সাইকেল চালিয়ে। বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সঙ্গে ছুটির দিনে খেলাধুলা করতে হবে। এতে শরীর এবং মন উভয়ের জন্য একটি আনন্দদায়ক হবে।

নিজেক সময় দিতে হবে নিজের প্রতি মনোযোগী হোতে হবে। কীভাবে নিজেকে আরও কিছুটা সময় দেয়া যাবে, মন ভালো রাখতে হবে কি করলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুরুষের স্ট্রেসের কারণে ২৫-৩৫ বছর বয়সে তাদের ওজন বাড়ে যায়। তাই স্ট্রেস যেন না আসতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে।

অসময়ের ঘুম কমাতে হবে কারন অসময়ের ঘুম শরীরের ওজন বাড়ায়। কাজের জন্যই হোক কিংবা ব্যক্তিগত, রাত জাগার অভ্যাসটা অনেকের আছে। অপর্যাপ্ত ঘুম শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষের প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। আবার ঘুম ভালো না হলে মাইগ্রেন, ক্র্যাঙ্কনেস, ব্যাকথেস মতো অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রোটিন হলো ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তাই খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। প্রোটিন উৎসের মধ্যে রয়েছে মুরগি, ডিম, গরুর মাংস, মাছ বা উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিন পাউডার। প্রোটিন ক্ষুধা দমন করে, বিপাক বাড়ায়, পেশী টিস্যু গঠন এবং বজায় রাখতে সহায়তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, যাদের ঘুম কম হয় তারা অতিরিক্ত খাবার খায় তার ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমা হয়, সেই কারনে ওজন বাড়ে।

অর্থসূচক/এমএস