ফ্যাশনে পরিণত হচ্ছে মাস্ক

0
184

করোনা থেকে বাঁচতে মাস্ক এখন অপরিহার্য।বিশ্বসাস্থ্য সংস্থা ও বলেছে করোনা থেকে বাঁচতে হলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রায় ৭ মাসের লকডাউনের পরে জনসাধারন ফিরছে কর্ম জীবনে। ফলে মাস্ক পরিনত হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হিসেবে। তাছাড়াও রয়েছে মাস্কে রঙচটা ডিজাইন। এমনকি ড্রেসের সাথে মিল রেখেও পরছে মাস্ক।

 

মাস্ক কে এখন সবাই স্টাইল বা ফ্যাশন হিসেবে গ্রহণ করে নিচ্ছে। আর এর জন্য আন্তর্জাতিক ফ্যাশন হাউজ গুলিতে শুরু হয়ে গেছে গবেষনা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক

গবেষনায় মাস্কে লাগতে শুরু করেছে ফ্যাশনের রঙ। ফ্লোরাল, প্রিন্টের মাস্কের কদর যেমন বেড়েছে, তেমনি এলইডি লাইটের নকশাও উঠে আসছে মাস্কে।

এলইডি লাইটের নকশা যখন মাস্কে

গাউন এলইডি লাইটে সাজিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল লুমেন কটিউর প্রতিষ্ঠানটি। এবার তারা নিয়ে এসেছে এলইডি ম্যাট্রিক্স ফেস মাস্ক।এতে রয়েছে পাতলা এলএডি

ম্যাট্রিক্স স্ক্রিন যেখানে অ্যাপ ব্যবহার করে পছন্দের ভয়েস ইনপুট দেওয়া যাবে বা আঁকাআঁকি করা যাবে। লিখে নেওয়া যাবে টেক্সটও। এতে রয়েছে ব্যাটারি যা চার্জ করে নিতে হয় ব্যবহারের আগে। পরিষ্কার করার সময় এগুলো সবই খুলে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

শিশুদের জন্য রঙিন মাস্ক

শিশুদের ব্যবহার উপযোগী চমৎকার কিছু মাস্কের কথা জানাচ্ছে লস অ্যাঞ্জেলস ম্যাগাজিন। বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক্স, কার্টুন ও প্রাণীর ছবি সম্বলিত মাস্ক বাজারে আনে ইতালিয়ান এক ডিজাইন হাউজ। এসব কার্টুন এবং বিভিন্ন কালারফুল মাস্ক গুলি দেখতে যেমন সুনদ্র হয় তেমন শিশুদের ও আগ্রহী করে তোলে।

প্রিন্টের মাস্ক

বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন হাউজ জনি ওয়াজ বাজারে এনেছে প্রিন্টের মাস্ক। এগুলো একটি কিনলে আরেকটি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে স্বাস্থ্যকর্মীদের। ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লা সুপার্ব প্রাণী ও ফুলের নকশা তুলে এনেছে মাস্কে। এ ছাড়াও নানা ডিজাইনের প্রিন্ট করা মাস্ক পাওয়া যায়।

লম্বা ফিতাওয়ালা রঙিন মাস্ক

নিউ ইয়র্কের ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘কোলিনা স্রাদা’ লম্বা ফিতাওয়ালা মাস্ক নিয়ে এসেছে বাজারে। ফিতার সাহায্যে যেমন ইচ্ছে তেমন ডজাইন করে বাঁধতে পারে।

কারুকার্য করা মাস্ক

চুমকি, পুঁতি কিংবা পাথর বসানো মাস্কের প্রচলন নতুন নয়। কেবল করোনাভাইরাসের কারণে নয়, অনেক দেশের মানুষই দূষণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে মাস্ক পরে আসছে বহু আগে থেকে, তখন থেকেই প্রচলন এই মাস্কের।

অর্থসূচক/এমএস