ঘাস চাষ শিখতে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যয় কমানোর নির্দেশ

0
183

ঘাস চাষ শিখতে ৩২ কর্মকর্তার বিদেশ যাওয়ার প্রস্তাব নিয়ে সমালোচনা চলছে। এর মধ্যেই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) তোলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

আজকের একনেক সভায় এই প্রকল্পসহ মোট ১০ হাজার ৭০২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গণভবন থেকে সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে প্রকল্পের সার্বিক বিষয় সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম।

সূত্র জানায়, দেশে গবাদি পশুর জন্য পুষ্টিকর ঘাস উৎপাদনের জন্য ‘প্রাণী-পুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাসের চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে ঘাস চাষ শিখতে ৩২ কর্মকর্তাকে বিদেশ সফরে পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে খরচ হবে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। প্রত্যেক কর্মকর্তা খরচ বাবদ পাবেন ১০ লাখ টাকা। তারা অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ঘাস চাষের প্রশিক্ষণ নেবেন।

ঘাস চাষ প্রশিক্ষণ নিয়ে একনেকে কী আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, ঘাষ চাষ প্রশিক্ষণে বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে একনেক সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অনেক গণমাধ্যম এই নিয়ে রিপোর্টও করেছে। রিপোর্টের বিষয়গুলো আমলে নিয়ে ঘাস চাষ প্রশিক্ষণ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যয় কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে আনার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া আমরা দেখেছি অনেকে প্রশিক্ষণের আওতায় ঢুকে পড়েছেন। যারা সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করেন শুধু তারাই প্রশিক্ষণ নিতে যাবেন।

প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ১১৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বর্তমানে দানাদার খাদ্য ব্যবহার করে দুধের উৎপাদন খরচ ২৪ টাকা। ঘাস খাওয়ানোর ফলে দুধের উৎপাদন খরচ কমবে ৩০ শতাংশ।

নেপিয়ার ঘাসের ৪/৫টি জার্ম প্লাজম দেশে আনা হবে। এগুলো কীভাবে প্রস্তুত করা যায়, সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেবেন কর্মকর্তারা। কীভাবে সারা দেশের খামার পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া যায়, ল্যাবরেটরিতে জার্ম প্লাজম সংরক্ষণ করা যায় সেই বিষয়ে তিনটি দেশে কর্মকর্তারা ১৫ দিন থেকে ১ মাসের প্রশিক্ষণ নেবেন।

অর্থসূচক/কেএসআর