গভীর রাতে বাইডেন-মোদির দীর্ঘ ফোনালাপ

0
247

মার্কিন সংবাদমাধ্যম তাঁকে জয়ী বলে ঘোষণা করার পরেই জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) গভীর রাতে ফের তাঁদের মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে বলে টুইট করে জানিয়েছেন মোদি। মোদি-বাইডেনের ফোনে আলোচনার বিষয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে আমেরিকাও।

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ছিল। অনেকেরই অভিমত, ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। নির্বাচনের আগে শেষবার ভারতে সফর করেছিলেন ট্রাম্প। গুজরাটে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মোদি। অন্য দিকে, মোদি যখন আমেরিকায় গিয়েছিলেন, তখন ট্রাম্প আয়োজন করেছিলেন ‘হাউডি মোদি’। গুজরাটের সভা থেকে মোদি মার্কিন ইন্দো-আমেরিকান ভোটারদের কাছে ট্রাম্পের জন্য ভোটভিক্ষা করেছিলেন। ফলে জো বাইডেনের জয়ের পরে অনেকেই দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন।

মোদি অবশ্য কালক্ষেপ করেননি। বাইডেনের জয়ের পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তারপরেই মঙ্গলবার রাতের ফোন কল। মোদি লিখেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে বাইডেনের সঙ্গে দীর্ঘ কথা হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তন, সামরিক সুরক্ষা, করোনা পরিস্থিতি, অর্থনীতি- সমস্ত বিষয়েই কথা হয়েছে। কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। আমেরিকায় বসবাসকারী ইন্দো-মার্কিনদের বিশেষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

ফোন কলের কথা জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে আমেরিকাও। সেখানে বলা হয়েছে ‘মোদির সঙ্গে বহু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বাইডেনের। দুই দেশের বাইরের এবং ভিতরের সুরক্ষা, গণতন্ত্র, জলবায়ু পরিবর্তনসহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সুরক্ষা নিয়েও কথা হয়েছে দুইজনের।’

এর আগে মঙ্গলবার সকালেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, ডেমোক্র্যাটরা ভারতের কাছে ‘স্ট্রেঞ্জার’ নয়। এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাইডেনের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তারপরেই রাতে ফোন।

ট্রাম্পের আমলে চীন সংঘাতে আমেরিকাকে পাশে পেয়েছে ভারত। বাইডেনের আমলেও আমেরিকা সেভাবেই ভারতের পাশে থাকবে কি না, সেটাই এখন দেখার। সূত্র: পিটিআই, এনডিটিভি

অর্থসূচক/এএইচআর