‘সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত আসছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

0
522

আগামী বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সিলেবাস শেষ করার জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এর ফলে দীর্ঘ ৯ মাস পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে।

আজ বুধবার (১১ নভেম্বর) বাংলাদেশ এডুকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (বিইআরএফ) আয়োজিত অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের জরিপ প্রকাশের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

চলতি বছরে মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে সিদ্ধান্ত দু’এক দিনের মধ্যেই জানাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়টি নিয়ে অনলাইন আলোচনায় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উনি কেন দু’একদিন বলেছেন আমি অবশ্য জানি না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছি। ১৫ তারিখ থেকে খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটিটি আরও বাড়বে নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারবো- এসব বিষয়গুলো নিয়ে এখনও কাজ করছি। ১৪ তারিখের আগে চেষ্টা করবো আপনাদের জানিয়ে দিতে। কারণ ১৪ তারিখের আগে তো আমাদের একটা সিদ্ধান্ত দিতেই হবে। কাল বা পরশুর মধ্যে আমাদের একটা সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে। আজ জানাতে পারছি না।

ডা. দীপু মনি বলেন, সংকটের মধ্যেও আমরা পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পেরেছি, চালিয়ে যাচ্ছি, অবশ্যই এটি আমাদের কোনো আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি। এই চেষ্টাটি চালিয়ে যেতে হবে, এটিকে আরও কত ভালো করা যায়। কারণ করোনা কতদিনে যাবে, কতদিনে সত্যিকার অর্থে আমরা আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দিতে পারবো, সে বিষয়গুলো কিন্তু এখনও বেশি অনিশ্চিত।

‘সামনেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আছে, সেগুলো নিয়েও আমরা বিভিন্নভাবে ভাবছি যে কী করে তাদের পরীক্ষার আগে সিলেবাস পুরোপুরি শেষ করতে পারে, এসব নানান জিনিস আমরা ভাবছি।’

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা বা নতুন করে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের কাছে নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়টি তুলে ধরবেন।

জরিপ প্রকাশ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণশিক্ষা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক প্রমুখ।

অর্থসূচক/কেএসআর