ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা সুদানের

0
46

এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে একমত হয়েছে সুদান। এর আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই পথে হাঁটছে সুদানও। যুক্তরাষ্ট্রেরই উদ্যোগেই দু’দেশ এ বিষয়ে একমত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সুদানের এক যৌথ বিবৃতিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনাকে ফিলিস্তিনিদের পিঠে নতুন আরেকটি ছুরি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ফিলিস্তিনিরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত আরও পাঁচটি আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। সৌদি আরবও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও সুদানের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুদান ও ইসরায়েলের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়ে উভয় দেশের নেতারা একমত হয়েছেন।

আমিরাত ও বাহরাইনের পর ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্থাপনেও কলকাঠি নেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও সুদানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই বিষয়টি পোক্ত করেন ট্রাম্প। কথা বলেন সুদানের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের প্রধানের সঙ্গেও।

এ নিয়ে গত মাসের মাথায় তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দিলো সুদান।

এ সপ্তাহের গোড়ার দিকেই যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সুদানের নাম বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। দৃশ্যত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের শর্তেই এ তালিকা থেকে অব্যাহতি পেয়েছে দেশটি।

ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকেই বেশিরভাগ আরব রাষ্ট্র এটিকে একটি দখলদার শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ফলে স্বভাবতই এতোদিন ধরে ইসরায়েলকে বয়কট করে আসছিল তারা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদিসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতির খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা।

অর্থসূচক/কেএসআর