ছেলে বিএনপি করে শুনে মেয়ে বিয়ে দিতেও চায় না: ফখরুল

0
109

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশ এখন গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণেই চলছে। এ পর্যবেক্ষণ ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল পর্যায়েও। চাকরির ক্ষেত্রেও এখন গোয়েন্দা ব্যবহার করা হয়। যদি এতটুকুও বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তাহলে তার আর চাকরি হয় না।

আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বিচার বিভাগের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের হুকুম পালন করা। ১০ বছর ধরে আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। এখন এমন হয়েছে সামাজিকভাবে সম্পর্ক তৈরিতেও আওয়ামী লীগ-বিএনপি দেখা হচ্ছে। ছেলে বিএনপি করে শুনলে মেয়ে বিয়েও দেওয়া হচ্ছে না। এখানে ভালো কিছু আশা করা অসম্ভব।

তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্র চাই। সবাই যেন উন্মুক্তভাবে কথা বলতে পারেন। সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে বা লিখলেই ধরা হচ্ছে। আমরা কোন রাষ্ট্রে বসবাস করছি। ৫০ বছরে আমরা এই রাষ্ট্র চাইনি।

১৯৭১-৭৫ সময়কালীন সরকারের পটভূমি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে যাওয়া যেত, বিচার পাওয়া যেত। কিন্তু এখন কারো কাছে যাওয়াও যায় না, বিচারও পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন একটি নৈতিকতার আন্দোলন। এতে আমাদের সমর্থন রয়েছে। আমরাও সারাদেশে আন্দোলন করেছি। এখন যারা প্রতিবাদ করছে তাদেরকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা মারধর করছে। এটা কোনো সরকারের কর্মকাণ্ড হতে পারে না।

সরকারের দুর্নীতির কারণে দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। সরকারের মেগা প্রজেক্টগুলোতে মেগা দুর্নীতি চলছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, একটি ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি হওয়ার জন্য সরকারি দলের লোকেরা ২-৩ লাখ টাকা খরচ করছে। এ থেকেই বোঝা যায় এ পদ কত আকর্ষণীয় ও লোভনীয়। কারণ দুস্থ মানুষের টাকা তারা নিজেরাই নিয়ে নিচ্ছে।

অর্থসূচক/কেএসআর